You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মাচাদো নাকি রদ্রিগেজ, ট্রাম্পের চালে কে হারাবে কাকে?

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী আটক করার পর দেশজুড়ে চরম বিভ্রান্তি, আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়েছে।

রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহরের মানুষ এখনো বুঝে উঠতে পারছে না—আসলে এখন তাদের দেশ কে চালাচ্ছে? আর ক্ষমতায়ই বা কে আছেন?

ভেনেজুয়েলাবাসীর এসব প্রশ্নের নানা ব্যাখ্যা আসছে ট্রাম্প প্রশাসন, মাদুরো সমর্থক ও বিরোধীদের কাছ থেকে। নিজ নিজ পক্ষে নিজ নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

বার্তাসংস্থা এপির প্রতিবেদনে এ বিষয়গুলোর বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র যা বলছে

নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রই ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ভেনেজুয়েলা চালাবে, এর আইনি ভিত্তি কী হবে, কিংবা সেখানে মার্কিন সামরিক বা বেসামরিক কর্মী মোতায়েন করা হবে কি না—এ বিষয়গুলো স্পষ্ট করেননি ট্রাম্প। মন্তব্য করেনি মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তরও।

রদ্রিগেজ নিয়ে বিতর্ক

গতকাল শনিবার বিকেলে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ডেলসি রদ্রিগেজ টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে বলেন, 'এই দেশে একজনই প্রেসিডেন্ট আছেন, আর তার নাম নিকোলাস মাদুরো।'

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের মুক্তি দাবি করেন এবং একে জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন বলে আখ্যা দেন।

দায়িত্ব নিলেও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তার শপথ অনুষ্ঠানের সম্প্রচার দেখা যায়নি।

সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের অবস্থান

ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ ভিডিও বার্তায় বলেন, 'আমাদের ওপর হামলা হয়েছে, কিন্তু তারা আমাদের ভাঙতে পারবে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো ক্যাবেলো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জনগণকে রাস্তায় নামার আহ্বান জানিয়েছেন।

মাচাদো ও বিরোধী দল যা বলছে

২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো তার মিত্রদের নিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করতে চান।

গত বছর ধরে বেশিরভাগ সময় আত্মগোপনে ছিলেন বিরোধী নেতা মাচাদো। শনিবার রাতে মার্কিন অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী আটক হওয়ার পর তিনি বলেন, 'মাদুরো ভেনেজুয়েলা এবং অন্যান্য অনেক দেশের নাগরিকদের ওপর সংঘটিত নৃশংস অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক বিচারের মুখোমুখি হবেন।'

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন