You have reached your daily news limit

Please log in to continue


যত ঘুম মিটিংয়ে? পরিত্রাণের রয়েছে উপায়

দীর্ঘ মিটিং, একটানা ক্লাস কিংবা টানা বক্তব্য— এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ চোখ ভারী হয়ে আসার অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে।

গুরুত্বপূর্ণ এই মুহূর্তে ঘুমিয়ে পড়া কোনভাবেই ভালো দেখায় না, কিন্তু ঘুম যেন আর কথা শোনে না।

বিশেষ করে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বা দায়িত্বপূর্ণ কোনো আলোচনায় এমনটা হলে অস্বস্তি আরও বেড়ে যায়।

তবে এই সমস্যার কিছু বাস্তবসম্মত ও পরীক্ষিত সমাধান রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন ঘুম ও স্নায়ু বিশেষজ্ঞের মতে, সঠিক অভ্যাস ও ছোট কিছু কৌশলেই এই ঘুমঘুম ভাব কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

আগের রাতের ঘুমই মূল ভরসা

মিটিংয়ে ঘুম না পাওয়ার সবচেয়ে বড় ভিত্তি তৈরি হয় আগের রাতেই।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘দ্য জনস হপকিন্স’ বিশ্ববিদ্যালয় ‘স্কুল অব মেডিসিন’য়ের স্নায়ুবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ডা. র‌্যাচেল সালাস সিএনএন ডটকম-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেন, “গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগের রাতে পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করাই সবচেয়ে জরুরি। ঘুম ঠিকমতো না হলে শরীর ও মস্তিষ্ক সতর্ক থাকতে পারে না।”

তিনি আরও বলেন, “মিটিংয়ের আগে নিজের লক্ষ্য ঠিক করে নেওয়া দরকার। অর্থাৎ আপনি সেখানে কী শিখতে চান বা কী বলতে চান। এতে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।”

অল্প সময়ের ঘুমেও উপকার

অনেক সময় দিনের মাঝামাঝি হঠাৎ ক্লান্তি ভর করে। এক্ষেত্রে অল্প সময়ের জন্য চোখ বন্ধ করাও কাজে আসতে পারে।

হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের মনোবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘সেন্টার ফর স্লিপ অ্যান্ড কগনিশন’য়ের পরিচালক ডা. টনি কানিংহাম বলেন, "মাত্র ছয় মিনিটের ঘুমও সতর্কতা বাড়াতে পারে।"

তবে তিনি সতর্ক করে দেন, আধা ঘণ্টার বেশি ঘুমালে গভীর ঘুমে চলে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এতে ঘুম ভাঙার পর আরও ঝিমুনি আসতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন