বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প: তাঁতপল্লির জমিতে তরমুজ চাষ

www.ajkerpatrika.com জাজিরা প্রকাশিত: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০১

পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ। গত দেড় বছরে আর কোনো কাজ হয়নি। এখন প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। তাঁরা দ্রুত নির্মাণকাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন। এদিকে অধিগ্রহণ করা বিস্তীর্ণ জমিতে এখন চাষ হচ্ছে তরমুজ।


জাজিরার নাওডোবা এবং শিবচরের কুতুবপুর এলাকায় ১২০ একর জমিতে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটির নাম ‘শেখ হাসিনা তাঁতপল্লি’। এটি ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয়। প্রথম পর্যায়ে জমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়নে মাটি ভরাট এবং প্রকল্প এলাকায় সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এখন প্রকল্পের নাম ‘হাজী শরীয়তউল্লাহ তাঁতপল্লি’ করার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরুর অপেক্ষায় আছে তারা। জানা গেছে, এই প্রকল্পে ৬ তলা ভবনে প্রত্যেক তাঁতির জন্য ৬০০ ফুটের কারখানা এবং ৮০০ ফুটের আবাসন সুবিধা, আন্তর্জাতিক মানের শোরুম, প্রশিক্ষণকেন্দ্র রয়েছে। তাঁতিদের ছেলেমেয়েদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থাকার কথা রয়েছে।


সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-শরীয়তপুর সড়কের দুই পাশে তাঁতপল্লির জন্য নির্ধারিত জায়গা পড়ে আছে। এক পাশে কাশবন এবং পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে স্থানটি। আনসার সদস্যদের থাকার জন্য একটি টিনশেড অবকাঠামো থাকলেও তা পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। দরজা, জানালা ভাঙা। অন্যদিকে সড়কের অপর পাশে নাওডোবা এলাকার অংশের পরিত্যক্ত ভূমিতে তরমুজ চাষ করছেন কৃষকেরা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অনেক দিন ধরে সরকারি জায়গা পড়ে থাকায় পরীক্ষামূলকভাবে তরমুজের আবাদ করেছেন ওই এলাকার চাষিরা।


শিবচরের কুতুবপুর এলাকার কৃষক ইসমাইল খান বলেন, ‘প্রায় দেড় বছর ধরে কাজ বন্ধ। আগে লোকজন আসত, এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। আমাদের কৃষিজমি তাঁতপল্লিতে পড়েছে। আমরা অধিগ্রহণের টাকাও পেয়েছি। তবে এখন কাজ বন্ধ থাকায় তাঁতপল্লি নির্মাণ হবে কি না জানা নেই। তাঁতপল্লিটি নির্মিত হলে এই এলাকার উন্নয়ন হবে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও