You have reached your daily news limit

Please log in to continue


শীতকালে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শুকনো ফল ও বাদাম উপকারী

শীতকালীন সিজনে দেহের প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি সরবরাহে শুকনো ফল ও বাদাম বিশেষ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞরা জানান, এসব খাবার সহজে তৃপ্তি দেয় এবং মূল খাবারের মাঝখানে হালকা, স্বাস্থ্যকর নাস্তা হিসাবে খাওয়া যেতে পারে।  শুকনো ফলের মধ্যে রয়েছে পিচ, কিসমিস, এপ্রিকট, ডুমুর ও বরই। আর বাদামজাতীয় খাবারের মধ্যে আমন্ড, কাজু ও আখরোট উল্লেখযোগ্য। তবে চিনাবাদাম বাদামের দলে নয়, এটি ডালজাতীয় খাদ্য।

কতটুকু শুকনো ফল খাওয়া নিরাপদ?

অনেকেই অল্প পরিমাণের বদলে বড় পরিমাণে শুকনো ফল খেয়ে থাকেন, যা শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিদিন বেশি পরিমাণে কিসমিস, ডুমুর বা বরই খেলে ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরল ও রোজার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়তে পারে।

অন্যদিকে আমন্ড ও আখরোটের মতো বাদাম শরীরে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। নিয়মিত আখরোট খেলে মোট কোলেস্টেরল কমে, এলডিএল কোলেস্টেরল হ্রাস পায় এবং প্রোটিন বি ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা উন্নত হয়।

বাদাম খাওয়ার সঠিক পরামর্শ

ডায়েটে উদ্ভিজ্জ খাদ্য, স্বাস্থ্যকর তেল, ভালো চর্বি এবং জটিল শর্করা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাদাম ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করলেও আমন্ড ও কাজুর মতো কিছু বাদামে অক্সালেটের মাত্রা বেশি থাকে। অতিরিক্ত খেলে তা ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথর তৈরির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে অল্প পরিমাণে এবং দইয়ের মতো ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে খাওয়া হলে ঝুঁকি কমে। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন