বুঝেশুনে খেতে হবে আলু
চাল, ভুট্টা ও গমের পরেই বিভিন্ন দেশের প্রধান খাদ্য হিসেবে স্থান করে নিয়েছে আলু। বাংলাদেশেও প্রতিদিনের খাবারের একটা বড় অংশজুড়ে থাকে আলু। আলু এ দেশে খুবই জনপ্রিয়।
পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
১০০ গ্রাম আলুতে ক্যালরি থাকে ৮০ গ্রাম। এর মধ্যে শর্করা ১৮ গ্রাম, প্রোটিন ২ গ্রাম, ফাইবার ২ গ্রাম, ফ্যাট ০.১ গ্রাম। রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, ফোলেট পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন ও ক্যালসিয়াম। এ ছাড়া আছে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, ক্যারোটিনয়েড ও ফ্ল্যাভোনয়েড।
শর্করা বেশি, তাই দ্রুত শক্তি পাওয়া যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। আলুতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। অ্যাথলেট ও বডিবিল্ডারদের জন্য আলু দ্রুত শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। আলুর পটাশিয়াম হৃদ্যন্ত্রের জন্য উপকারী।
কতটুকু আলু খাবেন
আলু উচ্চ শর্করাযুক্ত বলে রক্তের সুগার ও ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সাদা সেদ্ধ আলুর গ্লাইসিমিক ইনডেক্স প্রায় ৮৫ এবং গ্লাইসিমিক লোডও অনেক বেশি। তবে লাল আলুর গ্লাইসিমিক ইনডেক্স কিছুটা কম, ৭৫–এর কাছাকাছি। তবে আলু লো-গ্লাইসিমিক ইনডেক্স সবজির সঙ্গে মিশিয়ে রান্না করলে এর গ্লাইসিমিক ইনডেক্স কিছুটা কমে।
ডায়াবেটিস রোগীদের আলু পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে। দিনে বড় জোর ৯০ গ্রাম আলু খেতে পারবেন। এর বেশি যদি খেতে চান তাহলে সমপরিমাণ ভাত কম খেতে হবে। অর্থাৎ অন্য শর্করা কম খেতে হবে। আর যাঁরা ওজন কমাতে চান তাঁরাও পরিমিত আলু খাবেন।
- ট্যাগ:
- স্বাস্থ্য
- আলু
- স্বাস্থ্য উপকারিতা
- ঝুঁকি