You have reached your daily news limit

Please log in to continue


তরুণদের মধ্যে বাড়ছে থাইরয়েড, দেহে আয়োডিন ঘাটতি কিভাবে মেটাবেন?

অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে আজকাল তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাড়ছে নানা শারীরিক সমস্যা। বিশেষ করে থাইরয়েড ও স্থূলতার মতো রোগের প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। শরীরে বিপাকের গতি ও হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে আয়োডিন নামের এক ক্ষুদ্র কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজের ভূমিকা অপরিসীম। চলুন, জেনে নিই কেন দরকার আয়োডিন।

থাইরয়েড গ্রন্থি আয়োডিনের সাহায্যে এমন হরমোন তৈরি করে, যা শরীরের শক্তি উৎপাদন, তাপমাত্রা, হৃদস্পন্দন ও বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। আয়োডিনের ঘাটতি হলে থাইরয়েড সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, যার ফলে দেখা দেয় হাইপোথাইরয়েডিজম, অতিরিক্ত ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি ইত্যাদি সমস্যা।

লবণ খাওয়া কমলে আয়োডিন ঘাটতি

শরীরে আয়োডিনের চাহিদা মেটানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়া। কিন্তু হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপের কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে নুন কমিয়ে দেন বা বাদ দেন।

দুগ্ধজাত পণ্য

দুধ, দই ও চিজ আয়োডিনের অন্যতম ভালো উৎস। গোরুর খাদ্য ও দুগ্ধ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত আয়োডিনের কারণে এই খাদ্যগুলিতে প্রাকৃতিকভাবে আয়োডিন থাকে। স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে লো-ফ্যাট বা অর্গানিক দুধ বেছে নিতে পারেন।

মাছ ও সামুদ্রিক খাবার

সামুদ্রিক মাছ যেমন কড, টুনা, চিংড়ি, ইলিশ ও স্যামন মাছে রয়েছে প্রচুর আয়োডিন। পাশাপাশি এসব মাছে থাকা ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে।

ডিম

একটি মাঝারি আকারের ডিম, বিশেষ করে কুসুম, আয়োডিনের ভালো উৎস। এতে থাকা প্রোটিন ও ভিটামিন ডি শরীরের শক্তি ও বিপাকক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক।

আয়োডিনযুক্ত লবণ

যদি খাদ্যতালিকায় প্রাকৃতিক আয়োডিনের উৎস কম থাকে, তবে সামান্য পরিমাণে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করতে পারেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন