ভীত কূটনীতির পরিচিত পেয়েছিল বাংলাদেশ, তবে আর নয়: প্রেস সচিব

যুগান্তর প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১৫:৪১

ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ সদস্য রাষ্ট্রের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। বৈঠকে নরেন্দ্র মোদির কাছে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, সীমান্ত হত্যা বন্ধ ও তিস্তার পানির ন্যায় হিস্যা চেয়েছে বাংলাদেশ। যা কূটনীতিতে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থান তুলে ধরেছে। এছাড়াও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বড় অগ্রগতি হয়েছে এই সফরে। ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার। যা এই সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য।


সরকারের কূটনীতিতে বড় পরিবর্তন আসার পেছনে বিশেষ করে রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টার হাইরিপ্রেজেনটেটিভ ড. খলিলুর রহমান। জাতিসংঘে কাজ করা এই কূটনীতিক বাংলাদেশের কূটনীতিতে যে বড় পরিবর্তন এনেছেন তা জানা গেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের দেওয়া দীর্ঘ এক ফেসবুক পোস্টে। যেখানে বাংলাদেশের শক্ত কূটনীতি ও ড. খলিলুর রহমানের প্রশংসা করেছেন তিনি।


শফিকুল আলম তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ডঃ খলিলুর রহমান একজন শান্ত স্বভাবের মানুষ। তিনি ছিলেন জাতিসংঘের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশি কূটনীতিকদের মধ্যে প্রথম বিসিএস নিয়োগপ্রাপ্ত। কয়েক মাস আগে যখন তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যোগদান করেন, তখন আমি তার সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানতাম না। যদিও আমরা বেশ কয়েকবার দেখা করেছিলাম এবং সাক্ষাৎ ছিল অগণিত।’


তিনি আরও লিখেন, ‘তবুও, কয়েক মাসের মধ্যে তিনি আমাদের পররাষ্ট্র নীতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে ব্যাপক গতিশীলতা সঞ্চার করেছেন। জাতিসংঘ প্রধানকে একটি স্মরণীয় রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইফতার সফরে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। এমনকি অধ্যাপক ইউনূস তাকে একটি ধন্যবাদ পত্রও দিয়েছেন।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও