মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে বিনিয়োগ বাড়ানোই মূল চ্যালেঞ্জ

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৩৫

মূল্যস্ফীতির উত্তাপ এখনো কমেনি। স্থবির বিনিয়োগ। বাড়ছে না কর্মসংস্থান। রাজস্ব আদায়ও হচ্ছে না প্রত্যাশিত মাত্রায়। তবে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি রেমিট্যান্সের প্রবাহ ভালো। সামষ্টিক অর্থনীতির নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে আগামী অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি কমানো ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।


তারা বলছেন, নতুন অর্থবছরের বাজেটে মূল গুরুত্ব দিতে হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের ওপর। একই সঙ্গে বিনিয়োগ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিনিয়োগ না বাড়লে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান হবে না। আর কর্মসংস্থান না হলে নানামুখী সমস্যা দেখা দেবে। মূল্যস্ফীতি কমানো ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পদক্ষেপের পাশাপাশি রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর দিকেও নজর দিতে হবে। তবে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে নির্বাচিত সরকার না থাকায় বিনিয়োগ বাড়ানো বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হবে।


বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ তথ্য অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ছিল ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। অর্থাৎ, মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। অবশ্য তারপরও মূল্যস্ফীতি প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ হওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর বড় ধরনের চাপ রয়েছে।


মূল্যস্ফীতি চাপের পাশাপাশি সরকার প্রত্যাশিত রাজস্ব পাচ্ছে না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (২০২৪ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত) লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫৮ হাজার কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। অবশ্য লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও আগের বছরের তুলনায় রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছে দুই লাখ ২১ হাজার ৮১৭ টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রাজস্ব আদায় হয় দুই লাখ ১৭ হাজার ৯৭১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় চার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় বেড়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও