You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ট্রাম্পের সদ্যঘোষিত শুল্কনীতির ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘মেইক আমেরিকা ওয়েলদি অ্যাগেইন’ (আমেরিকাকে আবারও সম্পদশালী দেশে পরিণত করুন) ঘোষণার আওতায় বাংলাদেশসহ ১৮০টি দেশ থেকে আমদানি পণ্যের ওপর নতুন হারে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যা তার ঘোষণার দিন, অর্থাৎ ২ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর এ হার ৩৭ শতাংশ। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়বে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর গড়ে ১৫ শতাংশ শুল্কহার বজায় ছিল। নতুন শুল্কহারের ১৮০টি দেশের অধিকাংশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্কহার ঘোষিত হলেও ৬০ দেশের পণ্যের ওপর আরোপিত অধিক শুল্কহার ওই দেশগুলোর ওপর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রতিবেশী দেশ কানাডা ও মেক্সিকোর ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার চীনের ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্কহার গত মাসেই কার্যকর হয়েছে। ঘোষণায় আরও বলা হয়েছে, কোনো দেশ যদি ভেনিজুয়েলা থেকে তেল বা গ্যাস আমদানি করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ওইসব দেশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্প আরোপ ছাড়াও অন্যান্য কর বসাবে। তবে যেসব দেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর বর্ধিত হার প্রযোজ্য হবে, তারা যদি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে, তাহলে ওই দেশগুলোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য হারে শুল্ক হ্রাস করবে বলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন।

ট্রাম্পের গৃহীত শুল্কব্যবস্থা সারা বিশ্বে সমালোচনার ঝড় তুলেছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ, বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য বিশ্লেষক এ নিয়ে সমালোচনা শুরু করেছেন এবং ভোক্তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কারণ বর্ধিত শুল্কহারে আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে এবং মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়বে। যুক্তরাষ্ট্র চরম অর্থনৈতিক মন্দার শিকার হবে। চীনের ওপর শাস্তিমূলক শুল্কহার আরোপিত হওয়ায় ইতোমধ্যে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন শুল্কহার আরোপিত হওয়ার ফলে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় একটি দেশের অর্থনীতি পরিচালনায় ইতোমধ্যে ট্রাম্পের ওপর আমেরিকানদের ক্রমহ্রাসমান আস্থায় আরও ধস নামবে।

‘মুডি অ্যানালিটিকস’-এর চিফ ইকোনমিস্ট মার্ক জানদির মতে, ‘পণ্যের উচ্চমূল্য পরিশোধের মাধ্যমে আমেরিকান ভোক্তাদেরই বর্ধিত শুল্কের বোঝা বহন করতে হবে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর চাপানো নতুন শুল্ক আমেরিকার অর্থনীতিকে দুর্বল করবে। কারণ এর ফলে ভুক্তভোগী দেশগুলো আমেরিকান রপ্তানি পণ্যের ওপর পালটা প্রতিশোধমূলক শুল্কহার আরোপ করতে দ্বিধা করবে না।’

নতুন শুল্কনীতি স্বাক্ষরকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদিও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন যে, এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে বহু দশক থেকে চলে আসা অসম বাণিজ্য-ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক স্বাধীনতার নতুন যুগের সূচনা করবে। ট্রাম্পের বিশ্বাস, গৃহীত শুল্কব্যবস্থা আমেরিকানদের বহু ট্রিলিয়ন ডলারের কর হ্রাস করবে, জাতীয় ঋণের বোঝা কমাবে এবং দ্রুত এর ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে। কিন্তু অর্থনীতিবিদ মার্ক জানদির মতে, ‘বর্ধিত শুল্কহার ও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর প্রতিশোধের সমন্বয় জাতীয় অর্থনীতির ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করবে এবং শেষাবধি দেশ মন্দার দিকে ধাবিত হবে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন