বেলুচিস্তানের সমস্যা সমাধান কীভাবে সম্ভব

প্রথম আলো বেলুচিস্তান আব্বাস নাসির প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৪৭

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরদার আখতার মেঙ্গলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চলছে। তিনি বেলুচিস্তান ন্যাশনালিস্ট পার্টির (বিএনপি) প্রধান। শান্তিপূর্ণ পথে বেলুচ সমস্যার সমাধান চান। এই আক্রমণ যদি ক্ষমতাসীনদের চিন্তার প্রতিফলন হয়, তাহলে তা খুবই হতাশাজনক। এই আক্রমণ সাধারণত এমন অ্যাকাউন্ট থেকে আসছে, যেগুলোকে পাকিস্তানের হাইব্রিড শাসনব্যবস্থার ঘনিষ্ঠ মনে করা হয়।


এসব আক্রমণের ভাষা ও ভঙ্গি প্রমাণ করে যে তারা কী বলবে, তা নিয়ে যেন সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে। আখতার মেঙ্গলের প্রতিবাদ ও আন্দোলন বাস্তবে কী পরিবর্তন আনতে পারে, তা নিয়ে তাঁরা মোটেই সচেতন নন।


কয়েক মাস ধরে মেঙ্গল গভীর হতাশায় আছেন। রাষ্ট্র বেলুচ জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার অস্বীকার করছে। এর ফলে বেলুচিস্তানের তরুণেরা আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন।


মেঙ্গল বহুবার সতর্ক করেছেন—যদি সঠিক পথে ফেরা না হয়, তাহলে পরিস্থিতি রাজনীতিবিদদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। তাঁর মতো নেতারাও তখন কিছু করতে পারবেন না। অথচ এখনো তিনি শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক উপায়ে বেলুচ জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন।


সম্প্রতি সরদার মেঙ্গল বলেন, হয়তো পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে গেছে যে তাঁর পক্ষে এখন আর কিছুই করা সম্ভব নয়। বেলুচ ইয়াকজেহতি কমিটির নেতারা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সময় গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে আছেন ডা. মেহরাং বেলুচ ও সাম্মি দীন বেলুচ। একজনকে কোয়েটা থেকে, আরেকজনকে করাচি থেকে আটক করা হয়।
এরপর বিএনপি নেতা আখতার মেঙ্গল প্রতিবাদ মিছিলের ঘোষণা দেন। এটা স্পষ্ট যে এই বেলুচ জাতীয়তাবাদী নেতা আবারও রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ দেখছেন। অবশ্যই একে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন বলে মানতে হবে।


প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকার বেলুচ ইয়াকজেহতি কমিটিকে (বিওয়াইসি) সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতি সহানুভূতিশীল মনে করে। তারা মনে করে, এই কমিটি বেলুচ লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) মতো গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সহানুভূতিশীল। বিএলএর প্রতি শুধু নিরাপত্তা বাহিনী নয়, নিরীহ সাধারণ মানুষের ওপরও হামলার অভিযোগ আছে।


বিএলএর এই সহিংসতার পেছনে একটি পরিকল্পনা রয়েছে। তারা নিরীহ শ্রমিক ও ভ্রমণকারীদের হত্যা করছে, বিশেষ করে পাঞ্জাব থেকে আসা মানুষকে। এর মাধ্যমে তারা চায় রাষ্ট্র আরও কঠোর ব্যবস্থা নিক। কারণ, তারা বিশ্বাস করে যে যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, তত বেশি অসন্তুষ্ট তরুণ তাঁদের দলে যোগ দেবেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও