নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের ওপর প্রতিশোধমূলক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই শুল্কনীতির মূল উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং মার্কিন শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া।
তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে পারে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যযুদ্ধে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।
‘মুক্তির দিন’ ঘোষণা করে শুল্ক বৃদ্ধি
বুধবার (২ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেনে দেওয়া এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, দশকের পর দশক ধরে আমাদের দেশ লুটপাট, শোষণ এবং নিপীড়নের শিকার হয়েছে, তা বন্ধ করার সময় এসেছে।
তার ঘোষিত শুল্ক হার অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের পণ্য আমদানির ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এছাড়া, ভারতের ওপর ২৬ শতাংশ, জাপানের ওপর ২৪ শতাংশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও জানান, তিনি অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রকে শোষণের হাত থেকে রক্ষার জন্যই এই শুল্ক বসিয়েছেন এবং তা তাদের আমদানি শুল্কের অর্ধেক মাত্র।