শৌচাগারসংকটের টেকসই সমাধান দরকার

প্রথম আলো ঢাকা মেট্রোপলিটন সম্পাদকীয় প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:২১

পৃথিবীর এক অন্যতম জনঘনত্বপূর্ণ নগর ঢাকা প্রতিদিন একটি অস্বস্তিকর ও অভূতপূর্ব স্বাস্থ্যগত সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। ঢাকায় প্রতিদিন প্রায় ২৩০ টন মানববর্জ্য, যা খোলামেলা ও অপরিকল্পিতভাবে নিষ্কাশিত হয়, তা সরাসরি নগরীর উন্মুক্ত জলাশয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই চরম অব্যবস্থাপনা শুধু পরিবেশের জন্য নয়, মানবস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যের জন্যও এক অতি গভীর ও মারাত্মক বিপদ হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক টয়লেট সম্মেলন ২০২৫-এ ভয়াবহ এই সত্য উঠে এসেছে।


ঢাকার বহু অঞ্চলে যেখানে পর্যাপ্ত শৌচাগার বা সুসজ্জিত পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা সুস্পষ্টভাবে অনুপস্থিত, সেখানে নাগরিকেরা বাধ্য হয়ে মানববর্জ্য নিষ্কাশন করতে উন্মুক্ত স্থান, বিশেষত নদী ও খালের তীরবর্তী এলাকা নির্বাচন করেন। এর ফলে প্রতিদিন অসংখ্য গৃহস্থালি বর্জ্য, বৃষ্টির পানি ও অন্যান্য দূষণকারীর সঙ্গে মিশে মানববর্জ্য জলাশয়ে জমা হয়। এটি জলাশয়গুলোকে বিষাক্ত ও অস্বাস্থ্যকর করে তোলে।



এই অস্বাস্থ্যকর অবস্থার অপ্রত্যাশিত পরিণতি হিসেবে মহানগরের খাল, নদী ও অন্য জলাশয়গুলোর পচনশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জলবাহিত রোগের বাড়বাড়ন্তের আঁতুড়ভূমি তৈরি করছে। বিশেষভাবে কলেরা, টাইফয়েড, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। এটি শহরের জনস্বাস্থ্যের জন্য এক অভূতপূর্ব বিপদময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।


এ ছাড়া পরিবেশগত দৃষ্টিকোণ থেকেও জলাশয়ে জমে থাকা মানববর্জ্য বিভিন্ন জীববৈচিত্র্য, মৎস্যসম্পদ এবং সামগ্রিক পরিবেশের ওপর ব্যাপক ও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। উন্মুক্ত জলাশয়ের পানি দূষিত হয়ে যাওয়ার ফলে তা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে অন্তরায় সৃষ্টি করছে এবং নগরের জলভাগে গভীর সংকট তৈরি করছে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতিসাধন তো ঘটছেই, পাশাপাশি শহরের সৌন্দর্য ও বাসযোগ্যতাও হ্রাস পাচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও