You have reached your daily news limit

Please log in to continue


প্রবাসী আয় যখন অর্থনীতির প্রাণশক্তি

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের আর্থসামাজিক বিকাশে অন্যতম অনুঘটক হিসেবে বিবেচিত। একজন বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী তার পরিবার বা দেশে থাকা অন্যান্য ব্যক্তির কাছে প্রবাস থেকে যে অর্থ স্থানান্তর করেন তাই প্রবাসী আয় বলে বিবেচিত হয়।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ প্রবাসী আয় উপার্জনে বিশ্বে সপ্তম স্থানে আছে। দক্ষিণ এশিয়াতে শুধু ভারত ও পাকিস্তানের প্রবাসী আয় বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। বাংলাদেশে প্রবাসী আয় বেশি আসে সৌদি আরব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য ও কুয়েত থেকে। 

বাংলাদেশের শ্রমবাজারে শ্রমশক্তির চাহিদা ও জোগানের সমন্বয়হীনতার কারণে প্রবাসের শ্রমবাজার আমাদের শ্রমিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রস্থল হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। একদিকে যেমন প্রবাসী শ্রমিকদের আয় সামষ্টিক অর্থনীতির ভিতকে শক্তিশালী করছে, অন্যদিকে তাদের পাঠানো অর্থ দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা, শিশুর পুষ্টি ও শিক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

পাঁচ দশকে বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে প্রবাসী আয়ের ভূমিকা নিয়ে আলোচনাটা তাই অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক ও প্রয়োজনীয়। সময়ের পালাবদলের হাত ধারে বাংলাদেশ থেকে অভিবাসনের একটি গঠনমূলক পরিবর্তন ঘটেছে। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট অভিবাসনের একটি বড় অংশ জুড়ে আছে শ্রমিকদের অস্থায়ী দেশান্তর। বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসী আয়ের প্রভাব নিয়ে আলোচনার আগে, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পাঁচ দশক জুড়ে মোট অভিবাসন ও প্রবাসী আয়ের ওপর আলোকপাত করাটাও গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাধীনতার অব্যবহিত পর থেকেই বাংলাদেশ অন্যান্য দেশে কর্মী প্রেরণের মাধ্যমে তার প্রাথমিক সম্পদ মানব পুঁজি ব্যবহার করার দিকে মনোনিবেশ করে। এই কৌশল সত্তর দশকে মধ্যপ্রাচ্যে তেল সম্পদ উত্তোলনের বৃদ্ধির সময় গতি লাভ করে এবং মূলত মধ্যপ্রাচ্য বাংলাদেশের প্রবাসে কর্মী অভিবাসনের মূল এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৬ সালে অভিবাসনের সংখ্যাটা যেখানে ছিল মাত্র ৬ হাজার, ২০০৭ সালে তা পৌঁছে রেকর্ডসংখ্যক ৮ লাখ ৭৫ হাজারে। তবে ২০০৮ সালের আর্থিক সংকট স্বাভাবিকভাবেই বিদেশের শ্রমবাজারকে প্রভাবিত করেছিল।

যার সাময়িক প্রভাব আমরা দেখতে পাই ২০১১-১২ থেকে শুরু করে ২০১৪-১৫ সাল পর্যন্ত অভিবাসনের সংখ্যা হ্রাসের মধ্য দিয়ে। তবে পরবর্তী বছরগুলোয় অর্থাৎ ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের দিকে খানিকটা উন্নত হতে শুরু করে এবং ২০১৭ সালে গিয়ে অভিবাসনের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১০ লাখ অতিক্রম করে।

তবে ২০১৮-১৯ সালে অভিবাসীর সংখ্যা হ্রাস পায় এবং ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে তা একেবারে কমে যায়। এরপরে মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে অভিবাসনের সংখ্যা পুনরায় বাড়তে থাকে এবং ২০২৩ দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ অভিবাসন হয় যা সংখ্যায় ১৩ লাখেরও বেশি।  

অভিবাসন সংখ্যার তারতম্য থাকলেও দেশে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ কিন্তু ক্রমাগত বেড়েছে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ১৯৭৬ সালে প্রবাসী আয় ছিল মাত্র ২৪ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি যা দশ বছরের মাথায় ১৯৮৫ সালে গিয়ে বিশ গুণেরও বেশি বেড়ে ৫০০ মিলিয়নে দাঁড়ায়। এরপর প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৯৩ সালে প্রথম প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ১ বিলিয়নের অঙ্ক অতিক্রম করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন