You have reached your daily news limit

Please log in to continue


‘এটাই আমার সেরা পুরস্কার’

বাংলাদেশের নারী ফুটবল বললে প্রথমেই আসে তাঁর নাম। ২০২২ সালে গোটা দেশকে উৎসবে ভাসানো সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ে মাঠে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, নিজে হয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ও সর্বোচ্চ গোলদাতা। তারই স্বীকৃতি হিসেবে সিটি গ্রুপ-প্রথম আলো ক্রীড়া পুরস্কার ২০২২-এ হয়েছেন বর্ষসেরা খেলোয়াড়। প্রথম ফুটবলার হিসেবে বর্ষসেরা হওয়ার আনন্দ, নিজের জীবন, পরিবার আর খেলা নিয়ে বাফুফে ভবনে বসে মাসুদ আলমের সঙ্গে অকপটে কথা বলেছেন সাবিনা খাতুন।

পুরস্কার নিয়ে মঞ্চে নিজের ভালো লাগার কথা বলেছেন। পাঁচ দিন তো হয়ে গেল, আনন্দের রেশ কি এখনো আছে? নাকি আবার সেই খেলা, অনুশীলনই শুধু মনের মধ্যে?

সাবিনা খাতুন: না না, পুরস্কারের রেশ এখনো আছে, তা অন্য কিছু যতই মাথায় থাক। আর পুরস্কার পেতে সব সময়ই ভালো লাগে। বড় মঞ্চে পুরস্কার যখন দেয়, অন্য রকম একটা আনন্দ কাজ করে। সতীর্থরা সামনে থাকলে সেটা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। আপনাদের পুরস্কার অনুষ্ঠানে আমার সতীর্থরা সবাই ছিল।

শুধু সতীর্থরা নন, আপনার সামনে ছিলেন আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্ত বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন, বাফুফের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার, সাবেক তারকা ফুটবলারসহ ফুটবল পরিবারের নামীদামি অনেকেই। এটা কেমন লেগেছে?

সাবিনা খাতুন: দারুণ। প্রেসিডেন্ট স্যার, কিরণ আপা...সবাই ছিলেন। ফুটবল ফেডারেশন এখন একটা ফ্যামিলির মতো। সবাইকে নিয়েই পুরস্কারটা নিতে পেরেছি, এটাও বড় পাওয়া।

মনের মধ্যে কি আশা জাগছিল যে বর্ষসেরার পুরস্কারটা আপনি পেতে পারেন?

সাবিনা খাতুন: কিছুটা আশা ছিল (হাসি)। কারণ, ২০২২ সালে আমরা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতি। মেয়েদের ফুটবলে সিনিয়র পর্যায়ে এটাই বড় সাফল্য। আমি নিজে পারফর্ম করেছি। পাঁচ ম্যাচের তিনটিতে ম্যাচসেরা হয়েছি। ৮ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছি। তাই আশাবাদী ছিলাম। তবে সত্যি কথা বলতে, ভেবেছিলাম সেরা নারী ক্রীড়াবিদ হব হয়তো (হাসি)। বর্ষসেরা হওয়াটা ভাবনার একটু বাইরে ছিল। যখন বর্ষসেরা নারী ক্রীড়াবিদ ঘোষণা হচ্ছিল, তখন আমাদের মেয়েরা বলছিল, ‘আপা, আপনি পাবেন।’ আমি ওদের বলি, না–ও তো হতে পারে। তোরা চুপচাপ বসে থাক।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন