You have reached your daily news limit

Please log in to continue


নৌকাডুবিতে কনস্টেবল সোহেল রানার পরিবারের সবাই শেষ

স্ত্রী মৌসুমী (২৫) ও দুই সন্তান নিয়ে সাজানো সংসার ছিল ভৈরব হাইওয়ে থানার কনস্টেবল সোহেল রানার (৩০)। মেয়ে মাহমুদা সুলতানা ইভার বয়স সাত, আর ছেলে রাইসুলের পাঁচ বছর। শুক্রবার সন্ধ্যায় ভৈরবে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবিতে পরিবারটির কেউ আর বেঁচে নেই। 

নিখোঁজ চারজনের মধ্যে গত তিনদিনে একে একে সকলের মরদেহ উদ্ধার হয়। সোমবার সকালে সোহেল ও তার ছেলে রায়সুলের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এর আগে শনিবার স্ত্রী মৌসুমী আক্তার ও রোববার মেয়ে মাহমুদার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোহেল কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে। তিনি ২০১১ সালে পুলিশ কনস্টেবল পদে যোগ দেন। 

ভৈরব হাইওয়ে থানার ওসি সাজু মিয়া সমকালকে বলেন, সোহেল রানা আমাদের সহকর্মী ছিলেন। এভাবেই পুরো পরিবারটি দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার খবরে আমরা মর্মাহত। তার পরিবারের সবার মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। স্ত্রী মৌসুমী আক্তারের মরদেহ উদ্ধারের পর শনিবার রাতে দেবিদ্বারে গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়। আজ সোমবার বাদ জোহর ভৈরব হাইওয়ে থানার সামনে সোহেল ও তার দুই সন্তানের জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য স্বজনরা গ্রামের বাড়িতে যান।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন