দেশের সুপরিচিত ব্র্যান্ডগুলোর কেউ কেউ এরই মধ্যে কয়েলের উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ উৎপাদন একেবারে বন্ধ না করলেও সীমিত পরিসরে কারখানা চালু রেখেছেন। তাতে মশার কয়েলের বাজারে করপোরেট প্রতিষ্ঠানের হিস্যা ক্রমেই কমছে। তার বিপরীতে বাড়ছে নন-ব্র্যান্ডের হিস্যা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দেশের কয়েলের বাজারের বড় অংশই এখন নন-ব্র্যান্ডের দখলে।
এদিকে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে কয়েলসহ মশা নিধনের স্প্রে, র্যাকেট, তরল ওষুধসহ নানা ধরনের সামগ্রীর চাহিদা বেড়ে গেছে হঠাৎ করে। তাতে কিছু কিছু পণ্যের দামও বেড়েছে। বাজারটি নন-ব্র্যান্ডের হাতে চলে যাওয়ায় দামের ক্ষেত্রে একধরনের বিশৃঙ্খলাও দেখা দিয়েছে।