You have reached your daily news limit

Please log in to continue


রাজনৈতিক সংকটের অবসান হতে পারে যেভাবে

সামনে জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচন পদ্ধতি নিয়েই মুখোমুখি রাজনৈতিক দলগুলো। এক দল চায় সংবিধান অনুযায়ী; আরেক দল চায় সংবিধান সংশোধন করে নির্বাচন। পাল্লা দিয়ে চলছে কথার খেলা। আপসের সম্ভাবনা শূন্যের কাছাকাছি। দেশজুড়ে চলছে ঘন ঘন রাজনৈতিক কর্মসূচি। আরেকদিকে চলছে দল ও জোট ভাঙা-গড়ার খেলা। সবার লক্ষ্য একটাই– নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আবহাওয়া যতটা সম্ভব নিজেদের পক্ষে নেওয়া।

এ খেলা নতুন নয়। আমাদের দেশে এ খেলা চলছে সেই ’৭৫ সালের পর থেকে। ৫২ বছরের বাংলাদেশে সঠিক সময়ে এবং সংবিধান প্রদর্শিত পথে নির্বাচন হয়েছে মাত্র চারটি– ১৯৭৩, ২০০১, ২০১৪ আর ২০১৮ সালে। লক্ষ্য করার বিষয়, এই নির্বাচনগুলোর আগে সরকার পরিচালনা করেছে আওয়ামী লীগ। বাকি সব নির্বাচন অনুষ্ঠান হয়েছে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে। সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়েছে অনেক দূর। শ্রদ্ধা, সম্ভ্রম অর্জন করেছে বিশ্ববাসীর কাছ থেকে। কিন্তু রাজনীতিতে এখনও পিছিয়ে আছে। প্রতিটি নির্বাচনের আগে হাজির করা হচ্ছে এক অযাচিত সংকট।

দেশের রাজনৈতিক সংকটের প্রধান কারণ– আওয়ামী লীগের বিপক্ষে নৈতিকভাবে শক্তিশালী ও দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের অঙ্গীকার এবং জনগণের সেবা করার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার মতো কোনো দল নেই। আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য প্রধান তিনটি দলের একটির রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা এবং সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গিবাদী রাজনীতির ইতিহাস। অন্য দল দুটি সামরিক ছাউনিতে জন্ম নেওয়া সাম্রাজ্যবাদীদের পদলেহনকারী।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন