![](https://media.priyo.com/img/500x/https%3A%2F%2Fimages.prothomalo.com%2Fprothomalo-bangla%252F2023-07%252F92acbc04-2084-41f5-8ef2-23f1eecd726b%252FAmazon.jpg%3Frect%3D0%252C54%252C960%252C504%26w%3D1200%26ar%3D40%253A21%26auto%3Dformat%252Ccompress%26ogImage%3Dtrue%26mode%3Dcrop%26overlay%3D%26overlay_position%3Dbottom%26overlay_width_pct%3D1)
অ্যামাজন ডটকমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা
অ্যামাজন ডটকমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা
জেফ বেজোস প্রতিষ্ঠিত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ই–কমার্স সাইট অ্যামাজন ডটকমের আনুষ্ঠানিক শুরু হয়েছিল অনলাইনে বই বিক্রি দিয়ে। এখন অ্যামাজনে কী পাওয়া যায় না, সেটা বলাই বরং ভালো। সে কারণেই জেফ বেজোস এমন একটি নাম খুঁজে বের করেছিলেন যেটিতে ইংরেজি বর্ণমালাার প্রথম বর্ণ ‘এ’ থেকে শেষ বর্ণ ‘জেড’ রয়েছে।
অ্যামাজন এখন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। তাদের ব্যবসায় ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে আছে ই–কমার্স, ক্লাউড কম্পিউটিং, অনলাইন বিজ্ঞাপন, ডিজিটাল স্ট্রিমিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। একে পৃথিবীর অন্যতম প্রভাবশালী অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শক্তি হিসেবে বলা হয়। অ্যালফাবেট, অ্যাপল, মেটা, মাইক্রোসফটের সঙ্গে অ্যামাজন এখন বড় পাঁচ (বিগ ফাইভ) মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানির একটি।
অনলাইনে ১৯৯৫ সালের ১৬ জুলাই আনুষ্ঠানিক বিক্রি শুরু করার এক বছর আগে ১৯৯৪ সালের ৫ জুলাই ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের বেলেভ্যুতে জেফ বেজোস তাঁর বাড়ির গ্যারাজে অ্যামাজন প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুতে এটি অনলাইনে বই বিক্রির ওয়েবসাইট ছিল। এরপর একাধিক ধরনের পণ্য নিয়ে আসে অ্যামাজন। ২০২২ সালে অ্যামাজনের নেট আয় ছিল ২৭২ কোটি মার্কিন ডলার, পরিচালন আয় ছিল ১ হাজার ২২৫ কোটি ডলার। অ্যামাজনের ব্যবসা পুরো পৃথিবীতেই বিস্তৃত। এর কর্মী সংখ্যা ১৫ লাখ ৪১ হাজার। শুধু যুক্তরাষ্ট্রে এ সংখ্যা সাড়ে ৯ লাখ।