You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সুরুচি বনাম কুরুচি

রুচি নিয়ে দেশ তোলপাড়। রুচি, কুরুচি ও সুরুচি—এই তিনের সঙ্গে আমাদের পরিচয়, ওঠাবসা আজীবনের। আজকাল রুচির দুর্ভিক্ষ চলছে—এটা সবাই মানেন, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আসার পর থেকে মানুষ নানা কারণে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এই বেপরোয়া বা লজ্জাহীনতার কারণ ‘আনএডিটেড’ বা ‘সম্পাদনাহীন’ মিডিয়া।

আমরা যারা খবরের কাগজ কিংবা অন্য মাধ্যমে লিখে বড় হয়েছি, সবাই জানি সম্পাদনার সুফল কী। একটা পত্রিকা বা গণমাধ্যম দেশ তোলপাড় করে দিতে পারে। ভালোভাবে যেমন, তেমনি খারাপভাবেও তার প্রভাব অপরিসীম। আমাদের সমাজ ও দেশ তা জানে। তার প্রমাণ বহুবার পেয়েছি আমরা। তাই জাতীয় বা আন্তর্জাতিক মিডিয়া সাবধান থাকে। তাদের আচার-আচরণ হয় নিয়মতান্ত্রিক।

অথচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নামের ফেসবুক, টুইটার বা অন্য কিছু খোলা (ওপেন) মিডিয়া। যে যা খুশি লিখতে পারে, আবার লিখে তা মুছেও দিতে পারে। এই মনে হলো কাউকে ‘স্যার’ বলি, আবার একটু বাদে তাকেই হয়তো তিরস্কার করছে একই লোক। এমন সব মানুষও আছে যাদের কাজ হচ্ছে দেশের নামকরা মানুষজনকে রোজ একবার করে ভর্ৎসনা করা। এই সব পোস্টে অজস্র মানুষের লাইক, লাভ, আর কমেন্টে তাদের পোয়াবারো। সংগত কারণেই তারা বুঝে যায়, এটাই মানুষ খায়! এমন মনস্তত্ত্ব আর যা-ই হোক, সমাজের মঙ্গল করতে পারে না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন