রাজনীতির ময়দানে দুইটি পক্ষের মধ্যে মুখ দেখাদেখি নাই। তাই বলিয়া কি সমাজও কাবিলায় কাবিলায় বিভক্ত হইয়া কোন্দল করিবে? বরিশালের গৌরনদীর ঘটনা নূতন নহে। কিন্তু তাহা আবারও জানাইল, সামাজিক সহিংসতা কতটা ন্যক্কারজনক স্তরে উপনীত! যুবদলের একজন কেন্দ্রীয় নেতাকে একটি আড়তে চা পান করাইবার ‘অপরাধে’ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা আড়তটি বন্ধ করিয়া দিয়াছে। সমকালে প্রকাশিত সংবাদে বলা হইয়াছে, ঐ বাজারে আরও দুই বিএনপি নেতার দোকান বন্ধ করিয়া দেওয়া হইয়াছে। বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশগুলির সময়েও অনুরূপ ঘটনা আকছার ঘটিয়াছিল। এই প্রকার ঘটনা গৃহযুদ্ধের সময় দেখা যাইত। আফ্রিকার টুটসি ও হুতুদের মধ্যেও ঘটিয়াছিল। কিন্তু বাংলাদেশের সমাজ এখনও এমন দলীয় গোত্রে ভাগ হইয়া যায় নাই; কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের কোনো কোনো নেতাকর্মী তৎপ্রকার অধঃপতনই ডাকিয়া আনিতে চাহিতেছেন।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
বিরোধীদের জীবিকায় বাধা
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন