![](https://media.priyo.com/img/500x/https%3A%2F%2Fimages.prothomalo.com%2Fprothomalo-bangla%252F2023-06%252F44fa4175-4ab6-4e04-899f-0a35ec12bb4b%252F105cb524_9301_49f5_8639_012b525f29b2.jfif%3Frect%3D0%252C71%252C1009%252C530%26w%3D1200%26ar%3D40%253A21%26auto%3Dformat%252Ccompress%26ogImage%3Dtrue%26mode%3Dcrop%26overlay%3Dhttps%253A%252F%252Fimages.prothomalo.com%252Fprothomalo-bangla%252F2022-01%252F18c58c05-9e66-46f3-8946-4437460f8f90%252FBanner_7814X143.jpg%26overlay_position%3Dbottom%26overlay_width_pct%3D1)
শিশুদেরও হতে পারে স্ট্রোক
মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের সমস্যায় এর কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাকে স্ট্রোক বলে। আমরা জানি, সাধারণত বয়স্কদের স্ট্রোক হয়ে থাকে। এ রোগ শিশুদেরও হতে পারে। ইদানীং শিশুদের প্রায়ই স্ট্রোক পাওয়া যাচ্ছে।
প্রতি লাখ শিশুর মধ্যে গড়ে ১২ জন স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারে। শিশুমৃত্যুর ষষ্ঠ সর্বোচ্চ কারণ হচ্ছে স্ট্রোক।
স্ট্রোক কেন হয়
রক্তনালি বন্ধ হয়ে কিংবা রক্তনালি ছিঁড়ে রক্তক্ষরণের ফলে স্ট্রোক হয়। রক্তের ঘনত্ব বেড়ে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বেড়ে যায়, এমন কিছু রোগ আছে। যেমন সিকল সেল ডিজিজ, প্রোটিন সি বা এস-এর তারতম্য, মেনিনজাইটিস, পানিশূন্যতা। আবার কখনো শিশুদের রক্তনালি চিকন হয়ে যায়, যেমন ময়া ময়া রোগ। ময়া ময়া রোগে নতুনভাবে তৈরি রক্তনালি ফেটে রক্তক্ষরণও হতে পারে। হার্টে ছিদ্র, শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার কারণেও স্ট্রোক হতে পারে।
লক্ষণ কী
মাঝেমধ্যে হাত-পা দুর্বল হয়ে আবার ঠিক হয়ে যাওয়াকে বলে ট্রানজিয়েন্ট ইসকেমিক অ্যাটাক বা টিআইএ। তবে সম্পূর্ণ স্ট্রোক হলে হাত-পা একেবারে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। খিঁচুনি, চোখে কম দেখা, মাথাব্যথা, কথা বলার জড়তা, প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ন্ত্রণে সমস্যা প্রভৃতি সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রথম দিকে মাঝেমধ্যে সমস্যা হয়। শিশু দৌড়ঝাঁপ করলে, ঘাম হলে, কান্না করলে, ঝাল খাবার খেলে সমস্যা বেড়ে যায়, আবার বিশ্রাম নিলে কমে যায়।