১২ জুন অনুষ্ঠিত বরিশাল ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত হয়েছে। এই দুই সিটি নির্বাচনের ফলাফলও প্রত্যাশিতই ছিল। কারণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন মূলত স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়া। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পার্থক্য রয়েছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আমাদের আগ্রহ অনেক থাকলেও এই ধরনের নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। তাই এ ধরনের নির্বাচনের পরিবেশ একটু অন্যরকম। এই নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটারের চাওয়া-পাওয়া কিংবা চাহিদার জায়গাও ভিন্ন। আগেও প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর একটি লেখায় বলেছি, স্থানীয় উন্নয়নের জন্যই মূলত সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়। সিটি করপোরেশনের কাজ অনেক বিস্তৃত। কবরস্থান-শ্মশানের রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ, মশা নিধন, সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন থেকে শুরু করে জনস্বাস্থ্য নিরাপত্তাও সিটি করপোরেশনের কাজের আওতায়। অর্থাৎ নগরব্যবস্থায় মানুষের সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সিটি করপোরেশন ও কাউন্সিলরদের ওপর বর্তায়। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা বেশি গুরুত্ব পায়। শুধু তা-ই নয়, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন তা-ও নিশ্চিত করতে হয় সিটি করপোরেশন নির্বাচনে।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
কঠোর প্রতিকার ভবিষ্যতের প্রয়োজনেই জরুরি
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন