তীব্র প্রাকৃতিক তাপপ্রবাহের মধ্যেও বিদ্যুতের লোডশেডিং যেইভাবে মাত্রাতিরিক্ত হইয়া উঠিয়াছে, উহা কোনো বিবেচনাতেই অগ্রাহ্য করিবার অবকাশ নাই। খোদ রাজধানী তো বটেই, অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলিতেও পরিস্থিতি তথৈবচ। বিশেষত পল্লি অঞ্চলে বিদ্যুৎ থাকে না বলিলেই চলে। সোমবার সমকালের এক প্রতিবেদনে বলা হইয়াছে, দেশের সর্বাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বপ্রাপ্ত পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড চাহিদার অন্তত ৪০ শতাংশ কম বিদ্যুৎ পাইতেছে। এইরূপ পরিস্থিতি শুধু জনজীবনকেই নাকাল করিতেছে না; উৎপাদন ব্যবস্থাতেও নিঃসন্দেহে বিঘ্ন ঘটাইতেছে। গাজীপুরের এক শিল্পকারখানার ব্যবস্থাপককে উদ্ধৃত করিয়া প্রতিবেদনে বলা হইয়াছে, রবিবার কারখানাতে প্রতিবার এক হইতে দেড় ঘণ্টা করিয়া অন্তত পাঁচবার বিদ্যুৎ গিয়াছে। ফলস্বরূপ কারখানা চালু করাই দুরূহ। উক্ত ব্যবস্থাপকের মতে, লোডশেডিংয়ের কারণে দিনে তাঁহাদের প্রায় এক লক্ষ টাকার ডিজেল লাগিতেছে। উহার কারণে কেবল পণ্য উৎপাদনেই অনাকাঙ্ক্ষিত মাশুল যুক্ত হইতেছে না; দেশের ডিজেল মজুতেও সংকটের ছায়াপাত ঘটাইতেছে। ডলার সংকটের কারণে যেইখানে জ্বালানির স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন ঘটিতেছে, ডিজেলের অপ্রত্যাশিত ব্যবহার সেইখানে জাতীয় অর্থনীতির জন্য নূতন সংকট ডাকিয়া আনিতে পারে।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
পরিকল্পনাহীনতার ফল
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন