You have reached your daily news limit

Please log in to continue


গুজব ঠেকাতে কী করছে আওয়ামী লীগ?

ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগে সবার হাতে হাতে মোবাইল। ঘরে ঘরে ইন্টারনেট। শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে সহজেই দুনিয়ার সাথে যোগাযোগ রাখছে মানুষ। চারপাশে, কী ঘটছে, কী শুনছে সেগুলো ফেইসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ অন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে পেয়ে যাচ্ছে সবাই। বাংলাদেশে যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশ মানুষের রয়েছে ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট। দেশে বর্তমানে ফেইসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি। আর ইউটিউবের দর্শকের সংখ্যা ৩ কোটিরও বেশি।  এই সুযোগ কেউ ভালো কাজে ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করছেন। আবার কেউ কেউ এর ফায়দাও লুটছে। বিভিন্ন গ্রামে গড়ে ওঠেছে ‘হ্যাকার চক্র’।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে কীভাবে রাজনৈতিক ময়দান গরম করা হচ্ছে- এ লেখার মূল আলোচনার বিষয় মূলত সেসব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন গুজব আর মিথ্যাচারে ভরপুর। বিশেষ করে সরকার বা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কুৎসা ছড়ানো হয় প্রতিদিন। এসব গুজবে প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতিসহ রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সেলিব্রেটিদের নাম জড়ানো হচ্ছে। কোনো গুজবে সশস্ত্র বাহিনীর মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানের নামও জড়ানো হয়েছে। মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার বিষয়বস্তু (কনটেন্ট) ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।  আর তা দেখছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। অনেকে তা বিশ্বাসও করছে। কারণ মূল ধারার গণমাধ্যম ছাড়া এসব খবরের কোনো বিশ্বাস যোগ্যতা নেই, তা অনেকের অজানা। তাছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের পক্ষে সেসব তথ্য সত্য-মিথ্যা যাচাই করাও সম্ভব নয়। আর এই সুযোগটি নিচ্ছে একটি প্রতিক্রিয়াশীল চক্র।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন