You have reached your daily news limit

Please log in to continue


লটারির মাধ্যমে ভর্তির যৌক্তিকতা

আমাদের দেশে সরকারি ও বেসরকারি সব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়ায় লটারি পদ্ধতি চালু হয়েছে ২০২০ সাল থেকে। বিদ্যালয়ে ভর্তির লটারি পদ্ধতিটি শুরু হয় করোনা মহামারির সময়ে। তখন দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকার পর এই ব্যবস্থাতেই নতুন ক্লাসে ভর্তি নেওয়া হয় শিশুদের।

এর আগে পর্যন্ত ভর্তিযুদ্ধ নামে এক ভয়াবহ যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হতো কোমলমতি শিশুদের। চার বছর থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুদেরও সারা বছর ধরে ভর্তি কোচিংয়ের নামে অমানুষিক চাপ দিয়ে এই সমাজ তাদের ভর্তিযুদ্ধে নামিয়ে দিত। তাই শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক চাপ কমাতে এবং ভর্তির তদবির বন্ধে এই সিদ্ধান্ত। যদিও আগে বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে লটারি ও অন্যান্য শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হতো। এতে মেধা যাচাই করার সুযোগ ছিল বলে অনেকে মনে করেন। আসলেই কি তাই?

মেধা যাচাইয়ের পরীক্ষা হয় নাকি কে কতটা তথ্য মুখস্থ করে ধরে রাখতে পারে এবং ভর্তি পরীক্ষার খাতায় সেগুলো উগরে দিতে পারে তার পরীক্ষা হয়? ঢাকা সিটির নামকরা কিছু বিদ্যালয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন এসেছিল—বাংলাদেশে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার যাত্রা কবে শুরু হয়। এটি দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য কী ধরনের প্রশ্ন? অতি সৃজনশীল, নাকি বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্ন? দেশের মহানগর পর্যায়ের পরে ২০২১ সাল থেকে জেলা পর্যায়েও চালু হয় লটারি পদ্ধতি। তথাকথিত ভালো স্কুল নামে যেগুলো পরিচিত, সেগুলোতে আসনসংখ্যা যত, স্বাভাবিকভাবেই তাতে এসব খুদে যোদ্ধার সংকুলান হতো না। ফলে যুদ্ধের মাঠে মারা যেত তাদের উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ভেতরকার মানসিক শক্তি। নিজেদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সন্তান ভর্তি করাতে না পারার শোকে অভিভাবকরা তাঁদের সন্তানদের মানসিক অবস্থার খবর রাখার সময় পান না। তাই অভিভাবকদের কেউ কেউ এই যুদ্ধের বিরোধী ছিলেন, লটারি ব্যবস্থা তাঁদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। কোচিং, ভর্তি বাণিজ্য, শিশুদের অন্যায্য প্রতিযোগিতার চাপ থেকে রক্ষা করতে এই ব্যবস্থা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন শিক্ষামন্ত্রী।

গত ২৫ নভেম্বর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিসংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। গুচ্ছভিত্তিক ভর্তির ক্ষেত্রে লটারিতে পাঁচটি স্কুলের চয়েস বা পছন্দ দেওয়া যাবে। এতে মেধা দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষার্থী আশানুরূপ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা লাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে বলে অনেকেই মনে করছেন। তবে এ বছর লটারি ব্যবস্থার বেশ কিছু দুর্বলতা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। পত্রপত্রিকায় খবর এসেছে যে একই তালিকায় এক শিশুর নাম বারবার এসেছে। লটারি ব্যবস্থার ফাঁকফোকর খুঁজে বের করে অনিয়ম শুরু করেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসৎ শিক্ষক-কর্মচারী থেকে শুরু করে কিছু অভিভাবকও। একই শিশুর নামে অবৈধভাবে একাধিক জন্ম সনদ তৈরি করে প্রাণপণে তারা পছন্দের স্কুলে সন্তানকে ভর্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন। ভর্তি লটারিতে অনেক শিক্ষার্থীর নাম ছয় থেকে ১০ বার আসার অভিযোগও উঠেছে। সংবাদপত্রে সংবাদ এসেছে যে একজন শিক্ষার্থীর নাম ১০ বার মেধাতালিকায় এবং চারবার অপেক্ষমাণ তালিকায় এসেছে। এ কেমন খবর?

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন