আইএমএফের ঋণ: ছোট অঙ্কে বড় স্বস্তি

সমকাল সাব্বির আহমেদ প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০২২, ১৩:৩৬

আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফর শেষে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জন্য ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি ঋণ অনুমোদন হয়েছে। ঋণটি ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে আইএমএফের পরিচালনা পর্ষদে অনুমোদন হয়ে প্রথম কিস্তি চলে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে সফররত দলটি। দুই সপ্তাহের এই সফরকালে দলটি বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিসংখ্যান ব্যুরো, ইআরডিসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৩০টি বৈঠক করেছে। এতগুলো বৈঠক করে সফরকারী দলটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক শক্তি ও পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জন করে এ ঋণের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। ৪২ মাসের এই ঋণ মোট সাত কিস্তিতে পাওয়া যাবে। আগামী ফেব্রুয়ারি নাগাদ আইএমএফ প্রথম কিস্তি প্রায় ৪৬ কোটি ডলার ছাড় করবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় আশা করছে। বাকি ঋণ প্রতি ছয় মাস পর ছয়টি সমান কিস্তিতে (প্রতি কিস্তি প্রায় ৬৮ কোটি ডলার) ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পাওয়া যাবে।


বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা নিয়ে শ্রীলঙ্কায় সংকট সৃষ্টি হলে আমাদের দেশের কিছু নেতিবাচক রাজনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদ বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে যাচ্ছে বলে জনসভা ও গণমাধ্যমে মন্তব্য করতে থাকেন। কৃষি ক্ষেত্রে অবাস্তব সারনীতি গ্রহণের ফলে শ্রীলঙ্কায় গত বছর কৃষি উৎপাদন কম হয়েছে। করোনার দুই বছরে বিদেশি পর্যটক না আসায় তারা অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। অন্যদিকে, কৃষি, শিল্প, নির্মাণ ও সেবা খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি। এর সব কয়টি মজবুত রয়েছে। তবুও একদল নেতিবাচক মনোভাবের প্রভাবশালী মানুষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে যাচ্ছে বলে অপপ্রচার চালিয়েছে। আইএমএফের এই ঋণ অনুমোদন তাদের অপপ্রচারের জবাব হিসেবে কাজ করবে।


করোনাকালে আমদানি কম হওয়ায় আমাদের রিজার্ভ অনেক বেড়ে গিয়েছিল। সেই বাড়তি রিজার্ভ বিশেষত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট বিশ্ব অর্থনীতির চাপে পড়ে কমে যেতে শুরু করে। আইএমএফের ঋণ অনুমোদনের ফলে দেশের অর্থনীতির ওপর ব্যবসায়ী তথা জনসাধারণের আস্থা বেড়ে যাবে। তাঁরা অধিক উৎপাদনে মনোযোগী হতে সাহস পাবেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও