You have reached your daily news limit

Please log in to continue


যে কারণে টেস্টোস্টেরোন মাত্রা জানা উচিত

শুধু যৌনক্ষমতা নয়, টেস্টোস্টেরোন হরমোনের অভাবে পুরুষের কর্মশক্তি কমে আর পেশিক্ষয় হয়।

টেস্টোস্টেরোনের নাম শুনলে প্রথমেই মনে হতে পারে যৌনক্ষমতার কথা। তবে পুরুষদের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ হরমোন আরও অনেক কাজের কাজী।

সায়েন্টিফিক রিপোর্টস’য়ে প্রকাশিত ‘ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান রিসার্চ সার্ভিস’য়ের ফ্যামিলি মেডিসিন’ বিভাগের করা গবেষণার ফলাফল অনুসারে, টেস্টোস্টেরোনের স্বল্পতার কারণে পেশি ক্ষয় হয়, কর্ম ও যৌন ক্ষমতা কমে। এছাড়াও দীর্ঘস্থায়ী রোগের মধ্যে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্থূলতায় ভুগতে হতে পারে।

তবে এই হরমোন কার ক্ষেত্রে কতটা কম সেটার নির্দিষ্ট কোনো মাত্রা নেই। কারণ প্রাকৃতিকভাবে একেকজনের টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা স্বাভাবিকতা একেক রকম।

তাই নিজের টেস্টোস্টেরোনের স্বাভাবিক মাত্রা জানা না থাকলে আর ওপরের লক্ষণগুলো দেখা দিলে টেস্টোস্টেরোন পরীক্ষায় মাত্রা স্বাভাবিক দেখালেও সেটা বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেন যুক্তরাষ্ট্রের রয়াল ওক’য়ের ‘বিউমন্ট হসপিটাল’য়ের প্রাক্তন জ্যেষ্ঠ মেডিকেল অফিসার ও ইউরোলজি’র প্রধান ডা. অ্যানানিয়াস সি. ডিয়োকনো।

ইনসাইডার ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিনি বলেন, “যদি কোনো পুরুষকে জিজ্ঞেস করা হয়, তোমার টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা কী? সে হয়ত মাথা চুলকাবে, কিন্তু কোনো উত্তর দিতে পারবে না। কারণ ডাক্তার কখনও তাকে এই পরীক্ষার কথা বলেনি। তবে বয়স ৩০ থেকে ৩৫ মধ্যে সব পুরুষের এই হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করানো উচিত।”

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন