You have reached your daily news limit

Please log in to continue


উত্তরবঙ্গে নানা বাঁকে বঙ্গবন্ধু

বঙ্গবন্ধুর জীবন বন্ধুর ছিল এ কথা কারোরই অজানা নয়। তার রাজনৈতিক লড়াইয়ের জীবন ছিল স্রোতপ্রবল। আমরা জানি, তিনি প্রত্যাশিত আয়ুষ্কালকে অতিক্রম করতে পারেননি, ঘাতকের বুলেট তার চলাকে থামিয়ে দিয়েছিল। তিনি বেঁচে ছিলেন মাত্র ৫৫ বছর।

এ ৫৫ বছরে তার জেলজীবন ছিল প্রায় ১৪ বছর, যা দিনের হিসাবে ৪ হাজার ৬৮২ দিন অর্থাৎ মোট আয়ুষ্কালের প্রায় এক-চতুর্থাংশ

এ সংক্ষিপ্ত জীবনে তিনি ব্রিটিশবিরোধী রাজনীতি, পাকিস্তান আন্দোলন এবং একটি নতুন দেশের জন্মের লক্ষ্যে মহিরুহ মুসলিম লীগ থেকে বেরিয়ে এসে পৃথক সংগঠন নির্মাণ ও তার বিকাশে অনবদ্য অবদান রাখেন। যে সংগঠন ভাষা, স্বাধিকার, সংস্কৃতির জাগরণ ও শিক্ষা আন্দোলন গড়ে তোলে।

একটি নতুন রাষ্ট্র তার জন্মের মাত্র ২৩ বছরের মাথায় সে রাষ্ট্র ভেঙে নতুন এক রাষ্ট্র সৃষ্টি অনন্য কর্ম, যা তিনি করতে পেরেছিলেন। শুধু তাই নয়, সমগ্র বাঙালি জাতিসত্তাকে তিনি এক সুতোয় বাঁধতে পেরেছিলেন।

এজন্য তাকে ছুটতে হয়েছে শহর থেকে গ্রামে, গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। তিনি যখনই কারাগার থেকে বেরিয়ে আসতেন, তখনই ছুটেছেন গ্রাম-নগরে। তিনি যে শুধু নিজেই ছুটেছেন শুধু তাই নয়, সঙ্গে একটি শক্ত বলয় তৈরি করে ঘুরেছিলেন। একদল বুদ্ধিদীপ্ত রাজনীতিকের সমাবেশ ঘটিয়েছিলেন রাজনীতিতে। শেরেবাংলা, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা ভাসানী, আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশদের যেমন স্নেহসান্নিধ্য পেয়েছেন, তেমনি তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান, ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর মতো সৎ, সাহসী ও মেধাবী রাজনীতিবিদদের তার শক্ত অনুসারী হিসেবে পেয়েছেন। তিনি পঞ্চাশ দশকের শেষ দিক থেকে সূর্যের মতো বলয় তৈরি করেন। আর তাকে ঘিরেই গ্রহ-উপগ্রহের মতো তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ মনসুর আলী, কামরুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুররা আবর্তিত হতে থাকেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন