You have reached your daily news limit

Please log in to continue


১১ লাখ টাকা ‘পাওনা’ চেয়ে ঢাবির চিঠি, সামিয়ার ক্ষোভ

আগাম অবসর নিতে সামিয়া রহমানকে অনুমতি দেওয়ার সঙ্গে তার কাছে ‘পাওনা’ ১১ লাখ টাকা চেয়ে চিঠি দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সামিয়া চিঠিটি পেয়ে ক্ষোভ জানিয়ে বলেছেন, হাই কোর্টে হেরে যাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ‘প্রতিশোধ’ নিতে এই চিঠি দিয়েছে। তার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো পাওনা নেই।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়াকে গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির অভিযোগে পদাবনতি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক করেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তা চ্যালেঞ্জ করে আইনি লড়াইয়ে নামেন এই শিক্ষক। তাতে হাই কোর্ট গত ৪ অগাস্ট দেওয়া আদেশে সামিয়াকে পদাবনতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে তাকে আগের পদ অনুযায়ী চাকরি সংক্রান্ত সব সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

এর আগে গত মার্চে সামিয়া আগাম অবসরে যাওয়ার আবেদন করেন, যদিও তার চাকরির বয়স রয়েছে।

হাই কোর্টের আদেশের পর অবসরের অনুমতি এবং পাওনা চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠিটি পেলেন সামিয়া। তবে চিঠিতে তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ৩ অগাস্ট, অর্থাৎ হাই কোর্টের আদেশ হওয়ার আগের দিন।

সামিয়া রহমানের পদাবনতির সিদ্ধান্ত অবৈধ: হাই কোর্ট

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে বলা হয়, সামিয়া রহমানের পাঠানো ৩১ মার্চ তারিখের পত্রের বরাতে এবং ২৬ এপ্রিল তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসাবে দেনা-পাওনা সমন্বয় সাপেক্ষে ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে বিধি মোতাবেক আগাম অবসর (আর্লি রিটায়ারমেন্ট) গ্রহণের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, হিসাব পরিচালক দপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় সামিয়ার কাছে ১১ লাখ ৪১ হাজার ৬০১ টাকা পাবে। সিন্ডিকেটের সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা টাকা পরিশোধ না করলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন