You have reached your daily news limit

Please log in to continue


শিশুকে ঘরের কাজ শেখাবেন কীভাবে

শিশুর ‘বড়’হয়ে ওঠার ক্ষেত্রেও ঘরের কাজ শেখা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।  সংসারের কাজে হাত লাগানোর অভ্যাস শিশুকে স্বাবলম্বী এবং স্বনির্ভর করে তোলে। এ কারণে বাড়ির ছোটখাটো কাজে শিশুকে উৎসাহিত করতে পারেন।

কীভাবে শেখাবেন-

কাজের অভ্যাস গড়ে তুলুন : একদম ছোট বয়স থেকেই কাজ শেখান। অন্তত নিজের বিছানা বা পড়ার টেবিল গোছানোর দায়িত্ব যে তারই, এটা বুঝিয়ে দিন। সেই সঙ্গে কাজে আগ্রহ দেখালে প্রশংসা করুন। সপ্তাহের অন্তত একটা দিন, সময় নির্দিষ্ট করে দিন কাজের জন্য। তাকে বুঝিয়ে বলুন, এই বাড়িটা তারও। ফলে সেটাকে সুন্দর করে গুছিয়ে রাখার ক্ষেত্রে তারও যথেষ্ট দায়িত্ব রয়েছে। প্রথম প্রথম হয়তো শিশু কাজ করতে চাইবে না। বকাবকি করে কোনও সমাধান হবে না। বরং নিজেরা বাড়ির ছোট ছোট কাজ করুন তার সামনে। দেখিয়ে দিন, কোন কাজটা কীভাবে করতে হয়। আপনাদের দেখেই সে ধীরে ধীরে শিখবে।

বয়স অনুযায়ী দায়িত্ব দিন : একদম ছোট শিশুকে  (২ থেকে ৩ বছর) খেলার পরে খেলাচ্ছলেই খেলনা গুছিয়ে রাখার শিক্ষা দেওয়া যেতে পারে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কত তাড়াতাড়ি খেলনা গুছিয়ে ফেলা যায়, সেটা মজার একটা খেলা হিসেবে উল্লেখ করতে পারেন। এতে নতুন কাজ শেখার প্রতি শিশুর উৎসাহও তৈরি হবে। এছাড়াও খাওয়ার পর প্লেট বেসিনে রেখে আসা, বা টেবিলে পানি ফেললে তা কাপড় দিয়ে মোছার কাজও শেখাতে পারেন। এতে শিশুর মধ্যে পরিচ্ছন্নতাবোধ তৈরি হবে। একটু বড় হলে (৬ থেকে ৮) ঘুম থেকে উঠে নিজের বিছানা গোছানো, পছন্দের রং অনুযায়ী আলমারিতে জামাকাপড় সাজিয়ে রাখা, বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের জন্য চা বা কফি দিয়ে আসা, বা ডোরবেল বাজলে দরজা খুলে দেওয়া ইত্যাদি কাজের দায়িত্ব দিতে পারেন।  

টিমওয়ার্কের বিকল্প নেই : একসঙ্গে কাজ করার মজা কত, সেটা ছোট থেকেই শিশুকে টের পেতে দিন। গাড়ি পরিষ্কার করাই হোক বা বাগানের পরিচর্যা, সপ্তাহে অন্তত একটা কাজ সপরিবারে করার চেষ্টা করুন। তাহলে শিশু কাজ শেখার পদ্ধতিও উপভোগও করবে এবং সহযোগিতার মূল্যও শিখবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন