You have reached your daily news limit

Please log in to continue


নির্দেশ না মেনে দিনেই বর্জ্য বহন করছিল গাড়িটি

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সিটি করপোরেশনের বর্জ্যবাহী গাড়িগুলো কেবল রাতেই সড়কে চলার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু বুধবার রাজধানীর মিরপুর ১৪ নম্বরে সাব্বির আহমেদ রকি নামের শিক্ষার্থীকে চাপা দেওয়া গাড়িটি দুপুর ১২টায় বর্জ্য বহনের কাজে নেমে পড়েছিল। ওই গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে নিহত হন মোটরসাইকেল চালক রকি।

২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবর আদালতের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী রাত ১০টা থেকে সকাল ৭টার মধ্যে রাজপথে বর্জ্যবাহী গাড়ি চলতে পারবে। ওই সময়ের মধ্যেই কেবল বর্জ্য পরিবহন করতে পারবে সিটি করপোরেশন। কোনো খোলা ট্রাকে বর্জ্য পরিবহন করা যাবে না। কিন্তু সেই নির্দেশনা অবজ্ঞা করে দিনের বেলায় চলছিল কনটেইনার ট্রাকটি। এ প্রসঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ঢাকা শহরে এত বর্জ্য হয় যে শুধু রাতে অপসারণ করা সম্ভব হয় না। কোরবানির সময়ে অনেক বেশি বর্জ্য তৈরি হয়। এ জন্য তাঁরা আলাপ-আলোচনা করে দুপুর ১২টা থেকে কিছু গাড়ি বর্জ্য অপসারণের কাজ করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ওই গাড়িও ছিল।

ডিএনসিসির দাবি, ওই গাড়ির চালক আবদুস সালাম ডিএনসিসির কর্মকর্তাদের গাড়ি চালাতেন। তাঁর দক্ষতা সন্তোষজনক হওয়ায় কিছুদিন আগে তাঁকে বর্জ্যবাহী গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। তাঁর ভারী যান চালানোর লাইসেন্স আছে।
কাফরুল থানার ওসি হাফিজুর রহমান সমকালকে বলেন, নিহত শিক্ষার্থী রকির বাবা বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে চালকের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত চালক আবদুস সালামকে আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ওসি জানান, দুর্ঘটনার জন্য চালক আবদুস সালাম দায়ী নন বলে তাঁদের পর্যালোচনায় মনে হয়েছে। দুই গাড়ির মধ্যে ঢুকে পড়ায় মোটরসাইকেলের চালক নিজের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন