You have reached your daily news limit

Please log in to continue


শেওলার মতো আগলে ছিলাম: নূতন

‘নায়িকা হওয়া আমার জন্য খুব একটা কঠিন কাজ ছিল না। প্রয়াত সুমিতা দেবি- প্রয়াত জহির রায়হানের স্ত্রী আমাকে ছোটবেলা থেকেই নায়িকা বানাবেন বলে তার ইচ্ছা ছিল, আমি তাকে দিদি বলে ডাকতাম। শুটিং দেখতে নিয়ে যেতেন।’

‘এভাবেই একদিন রাজ্জাক ভাইসহ আরও অনেকের সামনে এফডিসি তে সরাসরি ইন্টারভিউ নিলেন। তারপর ‘নতুন প্রভাত’ প্রথম ছবি। এরপর বিখ্যাত ছবি চাষি নজরুল ইসলামের ‘ওরা ১১ জন’, আমি নায়িকা। চেহারা আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভালো ছিল, আর নাচ জানতাম। ব্যাস, নায়িকা হয়ে গেলাম।’

‘তবে নায়িকা হয়ে টিকে থাকা আমার জন্য অনেক কঠিন ছিল। আমি অনেক সাধারণ বুদ্ধির মানুষ। খুব একটা চালাকি বুঝি না। তবে অনেক পরিশ্রমী। যার জন্য ভাগ্য আমার পক্ষে ছিল। চোখের অনেক পানি শুটিংয়ের গ্লিসারিনের সঙ্গে আমার মিশে গেছে। অনেক ছবি থেকে বাদ, ভালো চরিত্র না পাওয়া, এমন অনেক ঘটনা দুঃখ মেকাপে ঢেকে রাখতে হয়েছে। হাসি আর রংবেরঙের পোশাক ছিল আমার দুঃখ মুছে ফেলার মূল অস্ত্র।’

‘কখনো পার্শ্বচরিত্র, কখনো নায়িকা, কখনো মা, কখনো ভিলেন, কখনো টাকা ছাড়া, যেভাবেই হোক শেওলার মতো আগলে ছিলাম। কারণ আমি বিশ্বাস করতাম, আমার পেছনে যাওয়ার পথ নেই। আমার জন্মই হয়েছে যুদ্ধ করে সামনে যাওয়ার জন্য।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন