You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বন্যা মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা কি হতাশাজনক নয়

সারা দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সূচনা হয়েছে। সিলেট, সুনামগঞ্জসহ ওই অঞ্চলে বন্যার কারণে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তিনটি বিষয় আমাদের মনোযোগ দাবি করে।

প্রথমত, এই বন্যার ফলে মানবিক বিপর্যয়ের সময় বন্যাপীড়িতদের সাহায্যে সারা দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ এগিয়ে এসেছেন, পাশে দাঁড়িয়েছেন। মানুষের প্রতি সহমর্মিতার এই প্রকাশ সামাজিক সংহতির ব্যাপারে আমাদের আশাবাদী করে। বিপদের সময় সাধারণ মানুষের ঐক্যই বিপদ মোকাবিলার প্রথম শর্ত। এসব কার্যক্রমকে অব্যাহত রেখেই আমাদের স্মরণ করতে হবে যে এই বিপদ মোকাবিলায় নাগরিকদের আশ্রয়ের জায়গা হওয়ার কথা রাষ্ট্রের; রাষ্ট্রের হয়ে এই কাজ করবে সরকার।

বন্যার ভয়াবহতার মুখে সরকারের ত্রাণমন্ত্রী যখন প্রথম ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দেন, তাতে বোঝা যায় যে এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কী। যে দেশে মেগা প্রকল্পে লাখো কোটি টাকা বরাদ্দ হওয়া কোনো বিষয় নয়, যে দেশে সরকারি কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণের জন্য অহরহ বিদেশ যান, এমনকি দিঘি পুনঃখননের প্রশিক্ষণ নিতে বিদেশ যেতে চান, সেখানে বন্যা ত্রাণের জন্য অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ নিশ্চয় নীতিগত সিদ্ধান্তের বাইরের বিষয় নয়। এটা একটা উদাহরণমাত্র। প্রশ্ন হচ্ছে, এই যে মানুষেরা ভয়াবহ বিপদে পড়লেন, তাঁদের পাশে এসে সরকার দাঁড়াচ্ছে কি না। সবচেয়ে বেশি বন্যাপীড়িত এলাকা সিলেট এবং সুনামগঞ্জের সংসদ সদস্যরা, এমনকি ওই অঞ্চলের মন্ত্রীরা পর্যন্ত যে বিপদের প্রথম মুহূর্তে এলাকায় উপস্থিত হননি, সেটা নিশ্চয়ই লক্ষ করার বিষয়।

এ মুহূর্তে সরকারের দায়িত্বের অন্যতম হচ্ছে সবার জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করা, কিন্তু ত্রাণ দেওয়াই একমাত্র বিষয় নয়। ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে যে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে। যেহেতু ইতিমধ্যে আরও অনেক এলাকাই বন্যাপীড়িত হয়ে পড়েছে, এখনই এ জন্য পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন