টেস্ট কেসে উতরে গেল ইসি

সমকাল মুনিরা খান প্রকাশিত: ১৬ জুন ২০২২, ০৯:৪৮

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজী হাবিবুল আউয়াল দায়িত্বভার গ্রহণ করেই বলেছিলেন, 'প্রতিটি নির্বাচনই একটি চ্যালেঞ্জ। কিন্তু কোনো চ্যালেঞ্জে ভয় পেলে চলবে না।' তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করে তখন বলেছিলাম, আমরা চাইব, তাঁর নেতৃত্বাধীন কমিশন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জরুরি প্রয়োজনে করণীয় সবকিছু সম্পন্ন করতে সক্ষম হোক। নতুন সিইসি সে বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। এ জন্য তখন তাঁকে সাধুবাদও জানিয়েছিলাম। দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশ নেয়নি। তবে সিইসির অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে এবং তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তা প্রমাণ করতে হবে- নির্বাচন হবে নির্বাচনের মতোই।


কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশনের কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনই ছিল তাদের প্রথম নির্বাচন। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার কাঠামোর কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে কোনো সহিংসতা হয়নি কিংবা ত্রুটির খবর পাওয়া যায়নি- বিষয়টি স্বস্তির। সকালে কুমিল্লাতে বৃষ্টি ও ইভিএমে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কিছুটা ত্রুটির কারণে নির্বাচনে যে বিঘ্ন ঘটেছে, এগুলোকে খুব বড় বাধা বলা যাবে না। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, এই কমিশন স্বচ্ছ নির্বাচন করতে সক্ষম হবে। সে ক্ষেত্রে তারা এই টেস্ট কেসে উতরে গেছে; বলা যায়।


এই নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্বকালে প্রথম পর্যায়ে যে কাজটি করল, তা খুব বড় পরিসরে নয়। তবে এ থেকে ভবিষ্যতের জন্য পথরেখা তৈরি হবে- তা আগেই বলেছিলাম। কিন্তু আমাদের অভিজ্ঞতা অনেক ক্ষেত্রেই তিক্ত বিধায় বড় পরিসরে তাদের প্রথম কর্মযজ্ঞ না হলেও শঙ্কা তো কিছুটা ছিলই। স্বচ্ছ, প্রশ্নমুক্ত নির্বাচন করে হূত আস্থা পুনরুদ্ধারই ছিল তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। শুধু নির্বাচন কমিশনই নয়; নির্বাচন-সংশ্নিষ্ট অন্য দায়িত্বশীল আরও যেসব সংস্থা রয়েছে, তাদের বেলায়ও বলতে গেলে বিষয়টি একই রকম। এমনকি যে সরকারের অধীনে নির্বাচনটি হলো, তাদের জন্যও একটা পরীক্ষা ছিল। নির্বাচনের নিয়ামক শক্তি নির্বাচন কমিশন হলেও সরকার তো তাদের মুখ্য সহযোগী শক্তি। কাজেই সরকারেরও যে এ ক্ষেত্রে অনেক বড় ভূমিকা রয়েছে- তা অস্বীকার করার উপায় আছে কি?

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও