You have reached your daily news limit

Please log in to continue


টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রতিফলন চাই

দেশের আসন্ন ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে আলোচনা চলছে এবং চলবে। ইতোমধ্যে আগামী অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এডিপি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন দিয়েছে। ৯ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের দিন ধার্য করা হয়েছে। বাজেট সামনে নিয়ে অনেকেই নানা বিষয়ে আলোচনা করছেন। তবে আমি কয়েকটি বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে চাই। এগুলোও অবশ্য আলোচিত হচ্ছে।

বলার অপেক্ষা রাখে না, এবারের পরিস্থিতি অন্যবারের চেয়ে ব্যাপকভাবে ভিন্ন। বাজেটে সংশ্নিষ্ট বছরের বাস্তবতা বিশ্নেষণ করে তার পরিপ্রেক্ষিতে নীতি গ্রহণ এবং বরাদ্দ দেওয়া হয়। আর সেটা করা উচিত দেশের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ও পরিকল্পনার আলোকে। আমাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে টেকসই ও সুষম উন্নয়ন। এর সঙ্গে ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার বিষয়ও রয়েছে।

বলছিলাম, এবারের বাস্তবতা ভিন্ন। এই বাস্তবতা কেবল বাংলাদেশে নয়, বরং সারাবিশ্বে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমরা দেখছি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির হার এখন ৮ দশমিক ৩ শতাংশ। ইউরোজোনে মূল্যস্টম্ফীতির হার ৭ দশমিক ৬ শতাংশ। আগে যেখানে তাদের মূল্যস্ফীতি সাধারণত ১ বা আড়াই শতাংশের মতো বা কম থাকত। বিশ্বব্যাপী বর্তমান সংকটের মোটা দাগে দুটি কারণ রয়েছে। একটি হলো, কভিড-১৯-এর অভিঘাত, আরেকটি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। ফলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি উত্তাল। জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, সরবরাহ ও পরিবহনে সংকট দেখা দিচ্ছে। বাংলাদেশও তার বাইরে নয়। বিশ্বায়নের যুগে বিশ্ব-অর্থনীতির গতি-প্রকৃতির প্রভাব বাংলাদেশে পড়াটাই স্বাভাবিক।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন