আমাদের ঘুম ভাঙবে কবে?

ঢাকা পোষ্ট পলাশ আহসান প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল ২০২২, ১৩:০৯

অবশেষে জামিন হলো হৃদয় মণ্ডলের। জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। এর জন্যে আদালতে তিনবার আবেদন করতে হলো তাকে। মুক্তির দাবি নিয়ে রাস্তায় নামতে হয়েছিল বরেণ্য শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের। ওদিকে এখনো থমথমে হয়ে আছে হৃদয় মণ্ডলের বাড়ি থেকে প্রায় শ’পাঁচেক কিলোমিটার দূরে নওগাঁর মহাদেবপুর। সহকারী প্রধান শিক্ষিকা আমোদিনী পালের পরিবার এখনো স্বাভাবিক হয়নি। নিজের বাড়িতে থাকলেও আছেন নিরাপত্তা ঘেরা পাহারায়।


পুলিশের বিশেষ নজরদারি আছে মহাদেবপুরের বারবাকপুর ও এর আশেপাশের এলাকায়। তারপরেও সেই পাহারা উপেক্ষা করে এখনো কেউ কেউ ফেসবুক লাইভে এসে বলার চেষ্টা করছেন আমোদিনী হিজাব পরার অপরাধে ছাত্রীদের পিটিয়েছেন। ঘটনা মিথ্যা। তারপরও কেন এই চেষ্টা?


এদিকে মুক্তি পেলেও হৃদয় মণ্ডলের বিরুদ্ধে যারা ধর্ম বিরোধিতার অভিযোগ এনেছিলেন তারা ঘরে উঠে যাননি। এখন সাংবাদিক দেখলেই গালি দিচ্ছে। বলছে এদের কারণে সমাজটা উচ্ছন্নে যাচ্ছে।


খুব কাছাকাছি সময়ের দু'টি ঘটনা। একটি মুন্সিগঞ্জ সদরে অন্যটি নওগাঁর মহাদেবপুরের। আমার হিসাবে ঘটনা দু'টি একটি আরেকটির কপি। আমার দেশের প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী খুব দ্রুত এরকম ঘটনা আরও কয়েকটি ঘটবে। আসলে ঘটে সবসময়। চোখে পড়ে না। কিন্তু যখন কোনো ঘটনা প্রচার পায়, সেই সময় এর কাছাকাছি কোনো খবর হলে সংবাদের পরিভাষায় সেটা ‘পেগ’ হয়ে যায়। তখন সবগুলো মিলিয়ে প্রচার হতে থাকে।


এই দু’টি খবরে অনেক মিল। প্রধান যে মিল সেটা হলো দু'টিতেই কোনো সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলতে ধর্মের ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও মানুষকে বিপদে ফেলতে ধর্মের ব্যবহার আমাদের দেশে খুব জনপ্রিয়। কিন্তু এর আগে এতটা প্রকাশ্য ছিল না। রাখঢাক থাকতো। কিন্তু ১৫ বছর ধরে আমরা দেখছি ব্যক্তি স্বার্থে জয়ী হতে ধর্মের ব্যবহার হচ্ছে সবার সামনে। সেই বগুড়ার চাঁদ দেখা থেকে শুরু করে আজকের আমোদিনী পালের শিক্ষার্থী শাসন পর্যন্ত।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও