বাংলাদেশে আবার হরতালের রাজনীতি
আবার হরতাল! দেশে বামপন্থী দলগুলো দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে ২৮ মার্চ হরতাল ডাকে। বিএনপি মহাসচিব দাবি করেছেন, তিনি যে আদর্শের অনুসারী হয়ে স্বাধীনতাযুদ্ধ করেছিলেন, সেই আদর্শের বাস্তবায়ন হয়নি। আওয়ামী লীগ জনমতের টুঁটি চেপে ধরেছে। সে জন্য বিএনপি হরতাল না ডাকলেও মিছিল-মিটিং করেছে।
দেশে ভুখা মিছিলও বের করা হয়েছে।
বহু নাটকের নাট্যকার জাফরুল্লাহ চৌধুরী সপরিবারে লন্ডনে এসে পৌঁঁছেছেন। বিএনপিপন্থী হাসনাত হাসানের আমন্ত্রণে তিনি লন্ডনে এসেছেন। তিনি তাঁদের হাত থেকে স্বাধীনতার পদক নেবেন। ২৮ মার্চ লন্ডনে বিএনপিপন্থীদের যে সমাবেশ হয়েছে তার চরিত্রের কথা জেনে যুুক্তরাষ্ট্রের নুরুন্নবী চৌধুরী প্রধান বক্তা হয়েও আসেননি বিএনপির ছদ্মবেশী সম্মেলনে। এটা জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। জামায়াতের ছদ্মবেশী সম্মেলনে ফতেহ মোল্লার মতো উগ্র বামপন্থীও যোগ দিয়েছেন। এক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয় সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে। এই সম্মেলনের আসল চরিত্র জানতে পেরে যুক্তরাজ্যের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা এই সম্মেলনে যোগ দেননি।
ডা. জাফরুল্লাহ একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তাঁকে বলা হয় নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্ব। কিন্তু তাঁর টান বিএনপি-জামায়াতের দিকে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিষোদগারই তাঁর প্রধান কাজ। মাঝে মাঝে বিএনপিকে ধমক দেন। স্নেহের ধমক।
- ট্যাগ:
- মতামত
- হরতাল
- বাংলাদেশের রাজনীতি