এই জালিয়াতি ঠেকাবে কে?
মালিকদের সঙ্গে হিসাব-নিকাশ করে সরকার সয়াবিন ও পামতেলের দর ঠিক করে দিলেও তা কোথাও কার্যকর হচ্ছে না। মহল্লার দোকানগুলোয় এখন আর বোতলজাত সয়াবিনই পাওয়া যাচ্ছে না। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে দোকানিরা বোতলের তেল ঢালছেন ড্রামে।
যে ক্রেতার একসঙ্গে পাঁচ বা এক লিটারের বোতল কেনার সামর্থ নেই তিনি কিনছেন ২৫০ মিলিলিটার। আর সেই সুবাদেই দিনে-দুপুরে ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ে চলছে এই নৈরাজ্য। ব্যবসায়ীদের এই জালিয়াতি কে ঠেকাবে— প্রশ্ন সাধারণ মানুষের।
রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বিক্রেতাদের কাছে এখন আর বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। দু-একটি দোকানে এক লিটারের ২-৪টি বোতল দেখা গেলেও এর বেশি নেই। তবে ড্রামে খোলা সয়াবিন ও পামতেলের সরবরাহ ভালো বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
কারণ জানতে চাইলে খুচরা দোকানিরা জানালেন, এখন আর পাঁচ, তিন বা দুই লিটারের বোতল কেনার কাস্টমার নেই। সারি সারি বোতল সাজিয়ে ব্যবসা চলবে না। বোতলজাত তেলে লাভও কম। তাই খোলা তেলই বিক্রি করছি। মেপে দেওয়াটা বিরক্তিকর। কিন্তু লাভ তো ভালো।