You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মহানায়কের আগমনে পূর্ণতা পায় স্বাধীনতা

ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি আজ। বাঙালি জাতির জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্মরণীয় দিন। ১৯৭২ সালের এই দিনে (১০ জানুয়ারি) দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে স্বাধীন দেশের মাটিতে পা রাখেন মুক্তির মহানায়ক। পূর্ণতা পায় মহান স্বাধীনতা। প্রিয়নেতাকে কাছে পেয়ে সেদিন সাড়ে সাত কোটি বাঙালি নতুন করে বেঁচে থাকার প্রেরণা পেয়েছিল। সেদিনই তারা শ্মশান বাংলাকে সোনার বাংলা হিসাবে গড়ে তোলার দীপ্তমন্ত্রে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন-‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা’ হিসাবে। সেই থেকে দিনটি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসাবে পালিত হয়।

প্রতিবছর বিস্তারিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করে আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠনগুলো। তবে গত বছরের মতো এবার করোনাভাইরাসের কারণে সব কর্মসূচিতেই অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনটিতেও বড় পরিসরে বা বড় আকারে জনসমাগম করে কোনো কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং আলোচনা সভা, দোয়া, শীতবস্ত্র বিতরণসহ নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া এবার টুঙ্গিপাড়ায় নেওয়া হয়েছে বিস্তারিত কর্মসূচি। দিনটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। দীর্ঘ ৯ মাস ১৪ দিন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দিজীবন শেষে ১৯৭২ সালের এই দিনে জাতির পিতা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। তিনি আজকের এই দিনে জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন