সারা বিশ্বে বিজ্ঞানভিত্তিক যত বিস্ময়কর আবিষ্কার হয়েছে তাদের অন্যতম কম্পিউটার আবিষ্কার। এটি একটি প্রগ্রাম বা সফটওয়্যার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যা ক্রমান্বয়ে স্বয়ংক্রিয় ও বাধাহীনভাবে উচ্চ গতিতে নির্ধারিত ডাটা গ্রহণ করে। প্রয়োজনীয় অ্যালগরিদম এবং কমান্ড (ইনস্ট্রাকশন) অনুযায়ী গাণিতিক ও যৌক্তিক ক্রিয়াকলাপ সম্পাদন করে এবং সে অনুযায়ী ফলাফল প্রদর্শন করে। কম্পিউটার শব্দটি লাতিন ‘কম্পিউটারে’ থেকে আগত, এর অর্থ গণনা বা গণনাকারী যন্ত্র। শুরুতে অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটার এবং পরে হাইব্রিড তথা ক্লোন কম্পিউটার মানুষের হাতে আসে। ডিজিটাল ও অ্যানালগ শব্দ দুটি দ্বারা কম্পিউটারের দুই ধরনের কাজের ধারা বোঝায়। অ্যানালগ কম্পিউটার ডাটাকে বৈদ্যুতিক ভোল্টে পরিণত করে, আর ডিজিটাল কম্পিউটার সংখ্যাকে বৈদ্যুতিক রিদম বা ছন্দে পরিবর্তন করে। আর এই অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের কার্যক্রম ও বৈশিষ্ট্যগুলোর সমন্বয়ে গঠিত হলো হাইব্রিড কম্পিউটার। আছে সুপারকম্পিউটারও, যার গতি আরো বেশি। এসব কম্পিউটারকে পেছনে ফেলে হাজার হাজার গুণ গতিসম্পন্ন কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি হচ্ছে, যা ২০২৯ সালে বাণিজ্যিকভাবে আসবে বিশ্ববাজারে। আসবে সুপারফাস্ট কোয়ান্টাম কম্পিউটার, যা নিয়ন্ত্রণ করবে ভবিষ্যতের কোয়ান্টামজগৎ।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
প্রযুক্তি বদলে দেবে কোয়ান্টাম কম্পিউটার
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন