দুই নিয়ন্ত্রকের মধ্যে বিতর্ক ও বিনিয়োগকারীর স্বার্থ
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের মধ্যে বেশ কিছু দিন ধরে কয়েকটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক চলছে, যার মীমাংসা হচ্ছে না। দিন দিন যেন সে বিতর্কের আয়তন এবং পরিধি উভয়ই বেড়ে চলেছে। বিতর্ককে সাধুবাদ জানাই। আমাদের দেশে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এমন জ্ঞানগর্ভ বিতর্ক সচরাচর দেখা যায় না। এরকম বিতর্ক অন্য দপ্তরগুলোর মধ্যেও হওয়া উচিত। দ্বন্দ্বেই বিকাশ। বিতর্ক সব সময় কিছু না কিছু নতুন জ্ঞান যোগ করে। তবে এরও একটা সীমা থাকা দরকার। ব্যাংক নিয়ন্ত্রক আর শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রকের মধ্যে চলমান বিতর্কে আসলে ভুক্তভোগী হচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। শেয়ারবাজার বিশ্নেষকরা বলছেন, এর ফলে বাজারদরের ওপর, ইনডেক্সের ওপর চাপ পড়ছে। চলমান কয়েকটি বিতর্কের একটি হচ্ছে- শেয়ারবাজারে 'পার্পেচুয়াল বন্ড' ইস্যু। এক্সিম ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এই পার্পেচুয়াল বন্ড শেয়ারবাজারে ছাড়তে চায়। সে অনুসারে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছে অনুমতি চাইলে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক একটা শর্তযুক্ত অনুমতি দিয়ে জানিয়েছে, ব্যাংকগুলো তাদের ইচ্ছেমতো এই বন্ডহোল্ডারদের সুদ বাতিল করতে পারবে না।