You have reached your daily news limit

Please log in to continue


নোনাজলের কাব্য - যে গল্প মাটি ও মানুষের

ক্রমশ উন্নত হচ্ছে পৃথিবী। পাল্লা দিয়ে জটিল হচ্ছে জীবনযাপন। নিজেদের সুখ স্বচ্ছন্দ্যের দিকে বেশিমাত্রায় খেয়াল রাখতে গিয়ে প্রকৃতির শরীর থেকে পলেস্তারা খসিয়ে উষ্ণতা খুঁজে যাচ্ছে মানুষ। তাতে প্রকৃতিও নির্মম হচ্ছে নিজের মতো। যার প্রভাব পড়ছে প্রান্তিক মানুষদের জীবন-জীবিকায়। পটুয়াখালির প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক জেলেপাড়া। ট্রলার দিয়ে মাঝসাগরে পাড়ি জমায় জেলেরা মাছের খোঁজে। বড় বড় ঢেউ পার হতে হয় নিয়মিত। সিডর এসে তাদেরকে নাড়িয়ে দিয়ে গিয়েছে কয়েকবছর আগে। কিন্তু তারা দমে যাননি৷ আবার সাগরের স্রোতে মিশে গেছেন জীবিকার তাগিদে। 

আধুনিক শিক্ষার প্রসার এখানে তেমন নেই। গ্রামের কিশোরদের দৌড় মসজিদ পর্যন্ত। গ্রামের চেয়ারম্যানই মোড়ল, তিনিই মহাজন। সব জেলেদের খুঁটি তার উঠোনে পোঁতা।  এমন সময় শহর থেকে আসে রুদ্র। শহুরে সংস্কারমুক্ত লেখাপড়া জানা ভাস্কর। তার বাবা কোনো একসময় এই জনপদে এসেছিলেন ত্রাণ দিতে। নিজের আর্টিস্ট সত্তার বিপরীতে থাকা বাবার উপর ক্ষোভ থাকলেও বাবার মুখে শোনা এই জনপদেই রুদ্র ফিরে আসেন, হয়তো নিজের নতুন সৃষ্টির অনুপ্রেরণা যোগাতে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন