সয়াবিনের নামে কী খাচ্ছি
এক সময় দেশে রান্নায় একচেটিয়া দাপট ছিল সরিষার তেলের। সেই জায়গা এখন নিয়েছে সয়াবিন। রান্না থেকে শুরু করে যেকোন খাবার তৈরিতে ভোজ্যতেল ব্যবহারে প্রথম পছন্দ এখন সয়াবিন তেল। কিন্তু দেশে প্রতি বছর যে পরিমান সয়াবিন তেল আমদানি হয়, পামঅয়েল আমদানি হয় তার প্রায় দ্বিগুণ। এই বিপুল পরিমান পামঅয়েল যাচ্ছে কোথায়? নাকি ভোক্তারা বেশি দাম দিয়ে সয়াবিনের নামে পামঅয়েল কিনে প্রতারিত হচ্ছেন? এ প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২১ লাখ ১৬ হাজার টন ভোজ্যতেল আমদানি করা হয়েছে। এরমধ্যে সয়াবিন তেল ৬ লাখ ৭৩ হাজার টন, পামঅয়েল ১২ লক্ষ ৬১ হাজার টন, সরিষার তেল ১ লাখ ৮২ হাজার টন আমদানি করা হয়েছে। এছাড়া আমদানিকৃত সয়াবীজ থেকে স্থানীয়ভাবে ৩ লাখ ২৬ হাজার টন সয়াবিন তেল উৎপাদন করা হয়েছে। এই উৎপাদিত সয়াবিনের বড় অংশই পশুখাদ্য তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
তবে শুধু চলতি বছরই নয়, গত ৫ বছরের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সয়াবিনের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ পরিমানে পামঅয়েল আমদানি হয়েছে। ২০২০ সালে মোট ২৩ লাখ ৫ হাজার টন ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে। এরমধ্যে সয়াবিন তেল ৮ লাখ ৩২ হাজার টন, পামঅয়েল ১৩ লাখ ১২ হাজার টন, সরিষা ১ লাখ ৬১ হাজার টন তেল আমদানি করা হয়েছে। এছাড়া আমদানিকৃত সয়াবীজ থেকে স্থানীয়ভাবে ৩ লাখ ৮৪ হাজার টন তেল উৎপাদন করা হয়েছে।
- ট্যাগ:
- বাংলাদেশ
- আমদানি
- পাম অয়েল
- বোতলজাত সয়াবিন তেল