একটা লাটাই হাতে সুতা দিয়ে মানুষ যখন কাগজের ঘুড়িকে নিয়ন্ত্রণ করে, তখন মানুষ ভাবে ঘুড়িটা তার দাসত্ব বরণ করেছে। ঘুড়িটা তার বশ্যতা স্বীকার করে তার হাতের খেলনা হয়েছে। মানুষের মনস্তত্ত্ব তখন উন্মাদ হয়ে ঘুড়িটাকে যেভাবে পারে সেভাবে নাচাতে থাকে, সুতাটা যেভাবে টানে আর ছাড়ে ঘুড়িটার জীবন হয়তো তেমন একটা শেলবিদ্ধ টানাপড়নে করুণ আর্তনাদ করে কাঁদে। তবে মানুষের কান পর্যন্ত সে কান্নার শব্দ কখনো পৌঁছায় না অথবা মানুষ সেই চিৎকার শুনবে না বলে কানে তুলা দিয়ে রাখে। ঘুড়ি সাধারণত কাগজের তৈরি হয়। বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু উদ্ভিদের জীবন আছে সেটা প্রমাণ করলেও কাগজের জীবন আছে এটা এখনো পর্যন্ত কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। সে হিসেবে কাগজের ঘুড়িটা একটা জড় পদার্থ। জড় পদার্থের স্বাধীনতা-পরাধীনতার গ্লানি আছে কি না সেটা বলা কঠিন, তবে মানুষ যে জড়ের স্বাধীনতাও হরণ করতে পারে এটা তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
মানুষ আধুনিক দাসত্বের শিকার!
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন