সম্প্রীতি শব্দটি যে অর্থ বহন করে, তাতে নিঃসন্দেহে বলা যায় যে মানবসভ্যতা বিকাশের প্রারম্ভকাল থেকেই এর সর্বাদৃত অস্তিত্ব বিদ্যমান ছিল। সমাজে সম্প্রীতি বিদ্যমান থাকলে সেখানে মানুষের মধ্যে অবশ্যই বিরাজ করবে সৌহার্দ্য, সদ্ভাব, বন্ধুত্ব আর প্রীতিময় সম্পর্ক। প্রকৃতিতে যেমন নানা প্রজাতির গাছপালা এবং পশুপাখি একত্রে বসবাস করে একে অন্যের পরিপূরক হয়ে। আমরা লক্ষ করলেই দেখতে পারি যে এগুলোর মধ্যে বাঁচার জন্য কিভাবে একে অপরকে নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য আর সহযোগিতা করে যায়। এগুলোর এই সমাবেশ ধরিত্রীকে পরিণত করেছে এক অপার সৌন্দর্যের ভাণ্ডাররূপে। প্রকৃতির মতোই সম্প্রীতি মানুষের একটি সহজাত ধর্ম। মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন ছিল বলেই আজকের পৃথিবীতে এত মানুষের বসবাস। নচেৎ বহু বছর আগেই যে পৃথিবীটা ধ্বংস হয়ে যেত! আর সেই পরিস্থিতি যে মানুষকে কখনো অতিক্রম করতে হয়নি, তা নয়। মানুষকে দুটি বিশ্বযুদ্ধের নির্মমতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবে সম্প্রীতি থেকে উৎসারিত অনুভূতি সেদিন মানুষকে শান্তির পথে যেতেই অনুপ্রাণিত করেছিল।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
সম্প্রীতিই হতে পারে বিশ্বশান্তি ও উন্নতির ভিত্তি
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন