একটি সংঘবদ্ধ চক্র পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ধর্ষণ মামলার ভয় দেখিয়ে এক স্কুল মালিকের কাছে ১০ লাখ টাকার চাঁদা দাবি করে। চাঁদা আদায়ে একাধিক সালিশ দরবার হয়। টাকা দিতে না পারায় সালিশ কর্তৃপক্ষ অসংখ্যবার মোবাইলে ফোন করে ঐ শিক্ষকের কাছে টাকা দাবি করে। পরে ওই শিক্ষককে করা হয় ধর্ষণ মামলার আসামী।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন