ফুলবাড়ী গণঅভ্যুত্থান হয়েছে ১৫ বছর হলো। এরও এক বছর আগে থেকে একটি ভয়ংকর দেশবিনাশী প্রকল্পের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক এ আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। ২০০৬ সালের ২৬ আগস্ট লাখো মানুষ নেমে এসেছিল রাস্তায়। সেই জাগরণে ভীত-সন্ত্রস্ত সরকারি সশস্ত্র বাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছিল। শহীদ হন আমিন, সালেকিন, তরিকুল। গুরুতর জখম হন বাবলু রায়, প্রদীপ রায়, শ্রীমন বাস্কে। আরও আহত হয়েছিলেন দুই শতাধিক মানুষ। তারপরও মানুষ থামেনি। তৈরি হয়েছিল গণঅভ্যুত্থান। এক পর্যায়ে সরকার জনগণের সব দাবি মেনে চুক্তি করতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু কোম্পানি-সরকারের চক্রান্ত এখনও বন্ধ হয়নি। তবে শহীদ ও যুদ্ধাহতদের রক্তে মাটি এখনও লাল; প্রতিরোধ এখনও জীবন্ত। ফুলবাড়ী আন্দোলনের দুটো দিক বিশেষভাবে লক্ষ্য করা দরকার- ১. এর মূল দাবি বা বিষয় যাকে কেন্দ্র করে জনগণের এই বিশাল উত্থান হয়েছিল এবং ২. এ আন্দোলন সংগঠনের ধরন।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
ফুলবাড়ী আন্দোলনের শক্তি ও নিশানা
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন