You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সীমান্ত জেলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

  • সীমান্তবর্তী এলাকায় চলা লকডাউন কার্যকর করতে হবে।
  • নিম্ন আয়ের মানুষকে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করতে হবে।
  • সীমান্ত এলাকায় চোরাপথে যাওয়া-আসা কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে।
  • অক্সিজেন ও শয্যা সংকট দ্রুত কাটাতে হবে।
  • যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি বিবেচনা করে সীমান্ত সম্পূর্ণভাবে সিল করে দিতে হবে।
  • সীমান্ত এলাকার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে এখনই র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। 
  • সিলিন্ডারে অক্সিজেন, অক্সিজেন মাস্ক ও হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা নিশ্চিত করতে হবে।
  • সন্দেহভাজনদেরকে বাড়িতে নয়, সরকারিভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখতে হবে।
  • স্বাস্থ্যবিধি মানায় জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

দেশের সীমান্তবর্তী জেলা রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, কুষ্টিয়া, যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট এবং নাটোর জেলায় করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার সাতক্ষীরায় ৫৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ, নাটোরে ৫২ দশমিক ২৭ শতাংশ, যশোরে ৪৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ, বাগেরহাটে ৪৪ দশমিক ৮১ শতাংশ, রাজশাহীতে ৪০ দশমিক ৬১ শতাংশ, কুষ্টিয়ায় ৩০ দশমিক ১৮ শতাংশ, খুলনায় ২৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ ও চাঁপাইনবাবঞ্জে ১৬ দশমিক ১৬ শতাংশ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন