You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সৌদি, ইউএই, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরগামীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরগামীদের জন্য শিগগিরই বিশেষ ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে সরকার। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা কালই নিশ্চিত করবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। ফলে আটকা পড়েছেন অনেক বিদেশগামী। বিশেষ করে শ্রমিকেরা পড়েছেন বিপদে। এ অবস্থার মধ্যে সরকারের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হলো। সভাটি ভার্চ্যুয়ালি হয়েছে।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো হলো:

১। সৌদি আরব, ইউএই, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরের জন্য শিগগিরই স্পেশাল ফ্লাইট চালু করা হবে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে বিস্তারিত ওয়ার্ক প্ল্যান কাল নিশ্চিত করবে।

২। বিদেশগামী যাত্রীদের করোনা নেগেটিভ সনদসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এয়ারপোর্টে আনার দায়িত্ব রিক্রুটিং এজেন্সির।

৩। প্রবাসী কর্মীরা কেবল জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশনের ছাড়পত্র গ্রহণ করে এবং দেশে প্রযোজ্য কোয়ারেন্টিন শর্ত মেনে কোভিড নেগেটিভ সনদ নিয়ে দেশে আসতে পারবেন।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি

বাংলাদেশে বুধবার থেকে শুরু হওয়া লকডাউনের সময় বিদেশগামী ফ্লাইট চালু রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি (বায়রা) ও অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)। সোমবার বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এক সপ্তাহের জন্য সকল যাত্রীবাহী আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের আনাগোনা নিষিদ্ধ করেছিল যা আজ (বুধবার) থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।

লকডাউনে বন্ধ থাকবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট: বেবিচক

দেশে করোনা সংক্রমণ রোধে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘কঠোর লকডাউনের’ মধ্যে বাংলাদেশ থেকে কোনো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলবে না। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ‘আগামী ১৪ থেকে ২০ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে কোনো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করবে না। এই সময়ে দেশের বাইরে থেকেও কোনো ফ্লাইট দেশে আসতে পারবে না।’ 

লকডাউনে শিল্প কারখানা খোলা থাকবে

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী বুধবার থেকে কঠোর লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করেছিল সরকার। তবে বাধ সাধেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকেরা। তাঁরা দাবি করেন, কারখানা বন্ধ করলে ক্রয়াদেশ হারাবে বাংলাদেশ। তা ছাড়া শ্রমিকেরা ছুটিতে গ্রামের বাড়ির দিকে রওনা দিলে সংক্রমণ আরও ছড়াবে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার লকডাউনে শিল্প কারখানা খোলা রাখার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে চিন্তাভাবনা করছে।

লকডাউনে ব্যাংক চলবে ১টা পর্যন্ত

আগামী বৃহস্পতিবার থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সরকার ঘোষিত ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’ ব্যাংকে লেনদেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত চলবে। ব্যাংক খোলা রাখা যাবে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। বাংলাদেশ ব্যাংক আজ নতুন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ব্যাংক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আজ নতুন এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলত সরকার থেকে বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন