You have reached your daily news limit

Please log in to continue


শেষ চৈত্রের শেষ সূর্যাস্তে

বিদায় বেলা আঁখি দুটো ছলোছল হবারই কথা। যে আর ফিরবে না, তার জন্য শোকগাথা তৈরি হয়ে যায় অনায়াসে। কতো আবেগ, ভালবাসা, সুখ-দুঃখ, আনন্দ বেদনা, উল্লাসে-উচ্ছ্বাসে কেটে গেছে সময় দিন মাস এবং বছর। জমেছে প্রচুর আবর্জনা। কলুষতার ডাস্টবিনগুলোতে উপচে পড়ছে রাশি রাশি বর্জ্য। কটু দুর্গন্ধ শুধু ছড়ায়। সারা বছর ধরে জমে থাকা পুঞ্জীভূত ক্ষোভগুলোও বিদায়ের পথে। কিন্তু রেশ তার থেকে যাচ্ছে তবু। কোভিড-১৯ এর ভয়াবহতা ক্রমশ বাড়ছে, জীবন গিয়েছে থমকে। অতিমারির এই কালে বর্ষ ফুরায়ে আসে তথাপি। এসবের বিপরীতে সুগন্ধি সুবাতাস বহে যাওয়া দিনগুলো ফিরে পাওয়া গেলে আরও সুন্দরের পথে চলবে এগিয়ে।

আজ শেষ চৈত্রের সূর্যাস্তের ছায়া ছায়া রোদমাখা উষ্ণ বিকেলের দিকে তাকালে ভেসে আসবেই ১৪২৪ সনের ঘটনাপঞ্জি। বিদায়ের রাগিনী বেজে ওঠার এই গোধূলি সন্ধিতে মনে প্রশ্ন জাগবেই, কেমন ছিল বিদায়ী বছরটি। এক বাক্যে হয়তো বলা হবে, ভাল-মন্দ মিলিয়েই কেটেছে বছর। আলো-অন্ধকারের দিন রাত্রিগুলো হয়তো ছিল স্বপ্নময় কিংবা বিষাদগ্রস্ত। তবে স্বস্তির ভার ছিল সর্বত্র। বিদায়ী বছরে পেছনে ফেলে আসা হয় কত স্মৃতি, কত রোমাঞ্চ, আনন্দ, জাগরণ। আর কিছু বেদনামিশ্রত দুঃখ ভারাক্রান্ত সময় দিতে হয় পাড়ি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন